সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে

সামাজিক আন্দোলনে মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ১৭ বছরের ট্রেন্ড এখনো মাদকের ব্যবসা করে, মাদক সেবন করে। ওই ব্যক্তিরা এ আমলে এত প্রভাব বিস্তার করার কথা না। তাহলে নিশ্চয়ই কেউ তাদেরকে আন্ডারগ্রাউন্ডে সহযোগিতা করছে। পুলিশ প্রশাসন ও এলাকাবাসী মিলে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত করতেই হবে। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবো। এ্যানি চৌধুরী জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা বলেছিলেন এটা ফ্যামিলি কার্ড নয়, এটা ভুয়া কার্ড। ইতিমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন। আমরাও লক্ষ্মীপুরে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়ে

সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে

সামাজিক আন্দোলনে মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ১৭ বছরের ট্রেন্ড এখনো মাদকের ব্যবসা করে, মাদক সেবন করে। ওই ব্যক্তিরা এ আমলে এত প্রভাব বিস্তার করার কথা না। তাহলে নিশ্চয়ই কেউ তাদেরকে আন্ডারগ্রাউন্ডে সহযোগিতা করছে। পুলিশ প্রশাসন ও এলাকাবাসী মিলে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত করতেই হবে। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

এ্যানি চৌধুরী জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা বলেছিলেন এটা ফ্যামিলি কার্ড নয়, এটা ভুয়া কার্ড। ইতিমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন। আমরাও লক্ষ্মীপুরে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়ে প্রমাণ করবো, এটা ফ্যামিলি কার্ডটা ভুয়া নয়। এটার সুবিধা প্রত্যেকটা পরিবার পাবে। সবার জন্য শিক্ষা, সবার জন্য স্বাস্থ্য এটা আমাদের ৩১ দফার অনেকগুলো পয়েন্ট। প্রত্যেকটা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন থেকে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, মাত্র একটা মাস আমরা পার করেছি। এর মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে মহতী উদ্যোগ এটা দৃশ্যমান, লক্ষণীয়। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মাসকার্ড একের পর এক তিনি দৃশ্যমান পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে নিয়ে এসেছেন। সহসায় আপনাদের কাছে সেগুলো পৌঁছে যাবে। ঢাকাতে শুরু করেছেন, এখনো লক্ষ্মীপুরে শুরু করেননি। এটার জন্য সময় দিতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন ভুঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভুঁইয়া প্রমুখ।

কাজল কায়েস/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow