সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে ইতালি প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইতালি প্রবাসী আলাউদ্দিন। সোমবার (০৪ মে) চাঁদপুর শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  আলাউদ্দিন চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের বলশিদ গ্রামের মিয়াজি বাড়ির মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন বলেন, একই গ্রামের পাশের বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে সুমন আহমেদ প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে গত ৩ মে একটি ফেসবুক আইডি ও পেজে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফেসবুকে প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এতে আমার ও আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আলাউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে বলেন, আমি ইতালিতে ব্যবসা করে আসছি। গত এক বছর আগে আমার দোকান পরিচালনা করার জন্য সুমন মিয়াকে ইতালিতে নিয়ে যাই। আমি ও আমার বড় ভাই ফখর উদ্দিন সপরিবারে ইতালিতে বসবাস করে আসছি। আমার অধীনে সুমন কাজ করার জন্য আমার বড় ভাই ফখর উদ্দিনের বাসা সুমন যাতায়াত করতে। সেই সুবাদে সুমন আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী নাছিমার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে ইতালি প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইতালি প্রবাসী আলাউদ্দিন। সোমবার (০৪ মে) চাঁদপুর শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  আলাউদ্দিন চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের বলশিদ গ্রামের মিয়াজি বাড়ির মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন বলেন, একই গ্রামের পাশের বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে সুমন আহমেদ প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে গত ৩ মে একটি ফেসবুক আইডি ও পেজে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফেসবুকে প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এতে আমার ও আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আলাউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে বলেন, আমি ইতালিতে ব্যবসা করে আসছি। গত এক বছর আগে আমার দোকান পরিচালনা করার জন্য সুমন মিয়াকে ইতালিতে নিয়ে যাই। আমি ও আমার বড় ভাই ফখর উদ্দিন সপরিবারে ইতালিতে বসবাস করে আসছি। আমার অধীনে সুমন কাজ করার জন্য আমার বড় ভাই ফখর উদ্দিনের বাসা সুমন যাতায়াত করতে। সেই সুবাদে সুমন আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী নাছিমার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রী নাছিমা ও সুমনের পরকীয়ার বিষয়টি প্রমাণসহ জানাজানি হয়ে পড়লে সুমন আমার দোকান থেকে ৩৪ হাজার ইউরো বাংলা মুদ্রা প্রায় ৪৮ লাখ টাকা এবং স্ত্রী নাছিমাকে সঙ্গে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। বর্তমানে সুমন ও স্ত্রী নাছিমাকে ইতালির পুলিশ খুঁজছে। মানসম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে ইতালিতে থাকা আমি আমার বড় ভাই ফখর উদ্দিন বাংলাদেশে চলে আসি। বাংলাদেশে আসার পর সুমনের বাবাকে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো আমাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হন। গত ২৩ এপ্রিল রাতে সুমনের বাবা বাচ্চু মিয়া ও ভাই শাহাদাৎ হোসেনসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন সন্ত্রাসী সঙ্গে নিয়ে দোয়ানী বাড়ির সামনে আমার ও আমার বড় ভাইয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। এই ঘটনায় আমি সুমনের বাবা বাচ্চু মিয়া ও তার ভাই শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করি। পুলিশ সুমনের বাবাকে কারাগারে পাঠায়।  তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনা আড়াল করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে অপপ্রচার করা হয়। উক্ত মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সুমনের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সুমনের স্ত্রী জানায়, এ পরকীয়ার কারণে সুমন মিয়া আমাকে তালাক প্রদান করে। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সালিশ দরবারে আবার পুনরায় মোবাইলের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য আরো বলেন, ইতালিতে আমার ব্যবসা সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব ছিল ওয়ারুক বাজারের আওয়ামী লীগের নেতা নজরুল ইসলামের ভাই ইতালিতে বসবাসরত মাইনুলের সঙ্গে। আমার ব্যবসায়ীক সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব চলায় মাইনুলের কুপরামর্শে এবং নাছিমার সঙ্গে সুমনের পরকীয়ার কারণ ও সুমনের বাবা এবং ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য অপপ্রচার করছে তারা। ‘ইতালিতে কিশোরী ধর্ষণ, ১৪ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করে সুমন অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে বলে জানান ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow