সালথায় জমি বিরোধে সংঘর্ষ: আহত ১০, বাড়িঘর ভাঙচুর

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাতাগ্রাম এলাকার হেমায়েত মাতুব্বরের সঙ্গে প্রতিপক্ষ মো. ফারুক মাতুব্বরের সমর্থক বাচ্চু চোকদারের দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশের মাধ্যমে জমি মাপার উদ্যোগ নেন। কিন্তু জমি মাপামাপির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়ে তা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উভয়পক্ষের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে মেহেদী মুন্সী, মিন্টু মুন্সী, সেলিম মুন্সী, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মিজা, সেলিম চোকদার ও আসাদ শেখের বাড়ি রয়েছে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে আব্বাস মাতু

সালথায় জমি বিরোধে সংঘর্ষ: আহত ১০, বাড়িঘর ভাঙচুর

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাতাগ্রাম এলাকার হেমায়েত মাতুব্বরের সঙ্গে প্রতিপক্ষ মো. ফারুক মাতুব্বরের সমর্থক বাচ্চু চোকদারের দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশের মাধ্যমে জমি মাপার উদ্যোগ নেন।

কিন্তু জমি মাপামাপির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়ে তা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উভয়পক্ষের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে মেহেদী মুন্সী, মিন্টু মুন্সী, সেলিম মুন্সী, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মিজা, সেলিম চোকদার ও আসাদ শেখের বাড়ি রয়েছে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে আব্বাস মাতুব্বর, তমিজদ্দিন মাতুব্বর, আসাদ শেখ, রাজ্জাক শেখ, পিকুল মাতুব্বর, লিটন মীর ও আলিম মীরকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য হেমায়েত মাতুব্বর ও ফারুক মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

সালথা থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow