সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশনের দাবিতে মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশন স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি। শনিবার বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি মাহবুব-এ খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা লায়লা ফেরদৌস হিমেলসহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, এক সময় সিরাজগঞ্জ রেলের শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। অথচ আজও জেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত রেল যোগাযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের দাবি, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের নকশা অনুযায়ী কালিয়াহরিপুর হয়ে চান্দাইকোনা পর্যন্ত সংযোগ রেখে মাত্র দুই কিলোমিটার রায়পুরের ভেতর দিয়ে জংশন স্থাপন করা হলে জেলার মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। তারা আরও বলেন, রায়পুর জংশন বাস্তবায়ন হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন ব্

সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশনের দাবিতে মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশন স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি। শনিবার বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি মাহবুব-এ খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা লায়লা ফেরদৌস হিমেলসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা বলেন, এক সময় সিরাজগঞ্জ রেলের শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। অথচ আজও জেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত রেল যোগাযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের দাবি, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের নকশা অনুযায়ী কালিয়াহরিপুর হয়ে চান্দাইকোনা পর্যন্ত সংযোগ রেখে মাত্র দুই কিলোমিটার রায়পুরের ভেতর দিয়ে জংশন স্থাপন করা হলে জেলার মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

তারা আরও বলেন, রায়পুর জংশন বাস্তবায়ন হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং জেলা প্রশাসনও এ দাবির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন বক্তারা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে সিরাজগঞ্জবাসী বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান তুলে ধরবে বলেও জানান তারা।

এসময় রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow