সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার চালু

সিলেটে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই জ্বর, সর্দি-কাশি, র‍্যাশ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসংখ্য শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। রোগীর অতিরিক্ত চাপে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। কোথাও এক শয্যায় দুই থেকে তিন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, আবার অনেককে থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝেতে। এ পরিস্থিতিতে চালু হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার।  সোমবার (১১ মে) বিকেলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে হামের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৬ শিশু মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রায় ৭০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একসঙ্গে ১৪ শিশুকে অ্যাম্বুলেন্সে করে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। স্থানান্তরিত প্রায় সব শিশুর শরীরেই হামের উপসর্গ ছিল। শামসুদ্দিন হাসপাতালে শয্যা আছে ১০০টি। অথচ রোববার দুপুর পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ১২০ শিশু। ফলে একটি শয্যায় একাধিক শিশু ভর্তি রয়েছে। আর

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার চালু
সিলেটে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই জ্বর, সর্দি-কাশি, র‍্যাশ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসংখ্য শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। রোগীর অতিরিক্ত চাপে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। কোথাও এক শয্যায় দুই থেকে তিন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, আবার অনেককে থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝেতে। এ পরিস্থিতিতে চালু হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার।  সোমবার (১১ মে) বিকেলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে হামের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৬ শিশু মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রায় ৭০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একসঙ্গে ১৪ শিশুকে অ্যাম্বুলেন্সে করে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। স্থানান্তরিত প্রায় সব শিশুর শরীরেই হামের উপসর্গ ছিল। শামসুদ্দিন হাসপাতালে শয্যা আছে ১০০টি। অথচ রোববার দুপুর পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ১২০ শিশু। ফলে একটি শয্যায় একাধিক শিশু ভর্তি রয়েছে। আর প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জায়গা হচ্ছে মেঝেতে। এতে করে একজনের সংস্পর্শে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অন্যজন। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম বলেন, ১০০ শয্যার শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে বর্তমানে ১২০-১৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিট পুরোপুরি পূর্ণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শিগগিরই চালু হতে পারে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, ওসমানী ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল উভয়ই আমার ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে, তাই একটি হাসপাতাল অন্যটির দায়িত্ব নিচ্ছে না এ ধরনের প্রচার সঠিক নয়। তিনি বলেন, বিশেষ রোগী ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয় এপ্রিলের ২৩-২৪ তারিখে। শুরুতে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১০০ শয্যা নিয়ে রোগী ভর্তি কার্যক্রম চালু করা হয়। পরে রোগীর চাপ বাড়ায় ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সোমবার ওসমানীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৮ বেডের হামের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ওসমানী হাসপাতালে ২ মের মধ্যে ১০ শয্যার পিআইসিইউ (PICU) চালু করা হয় এবং একই সময়ে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ৭ শয্যার এইচডিইউ (HDU) ইউনিট চালু করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow