সুজন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি গ্রেপ্তার
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)–৬ ও ৮-এর যৌথ অভিযানে বরগুনার পাথরঘাটায় আলোচিত সুজন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোররাতে পৃথক অভিযানে বরগুনার বামনা উপজেলার সোনাখালী বাজার বাসস্ট্যান্ড ও খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের মধ্য লেমুয়া গ্রামের আ. মন্নান হাওলাদারের ছেলে মো. জালাল (৫৫), একই গ্রামের মিঠু হাওলাদারের ছেলে মো. কালু (২০), আ. হাকিম হাওলাদারের ছেলে মো. সবুজ হাওলাদার (৩০) এবং জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মো. মিরাজ হাওলাদার (৪০)।র্যাবের প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, র্যাব-৮ ও র্যাব-৬–এর পৃথক অভিযানে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মো. সবুজ হাওলাদার ও মো. মিরাজ হাওলাদারকে সোনাডাঙ্গা থানা-এ এবং মো. জালাল ও মো. কালুকে পাথরঘাটা থানা-এ হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানায়, ঘটনার পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)–৬ ও ৮-এর যৌথ অভিযানে বরগুনার পাথরঘাটায় আলোচিত সুজন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোররাতে পৃথক অভিযানে বরগুনার বামনা উপজেলার সোনাখালী বাজার বাসস্ট্যান্ড ও খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের মধ্য লেমুয়া গ্রামের আ. মন্নান হাওলাদারের ছেলে মো. জালাল (৫৫), একই গ্রামের মিঠু হাওলাদারের ছেলে মো. কালু (২০), আ. হাকিম হাওলাদারের ছেলে মো. সবুজ হাওলাদার (৩০) এবং জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মো. মিরাজ হাওলাদার (৪০)।
র্যাবের প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, র্যাব-৮ ও র্যাব-৬–এর পৃথক অভিযানে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মো. সবুজ হাওলাদার ও মো. মিরাজ হাওলাদারকে সোনাডাঙ্গা থানা-এ এবং মো. জালাল ও মো. কালুকে পাথরঘাটা থানা-এ হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে লেমুয়া এলাকায় মো. সুজন একই এলাকার মন্টু মিয়ার ছোট ছেলে মো. কালু মিয়াকে (১৮) মারধর করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে বড় ভাই রিয়াজ ঘটনাস্থলে গেলে সুজন তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। এতে রিয়াজের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা রিয়াজকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সুজনের বাড়িতে হামলা চালায়। পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সুজনকে গণপিটুনি দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
What's Your Reaction?