সুপ্রিম কোর্ট বারের ভোট আজ, বর্জনের ডাক আ. লীগ সমর্থক আইনজীবীদের
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে। বুধবার (১৩ মে) ও বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দু’দিনব্যাপী এই নির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি সমর্থক আইনজীবীরা অংশ নিয়েছেন। সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ মোট ১৪টি পদের বিপরীতে ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে ১১ হাজার ৮৯জন ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এদিকে নির্বাচনে অনিয়ম, প্যানেল ভিত্তিক রাজনীতির প্রভাব এবং সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছেন আওয়ামী সমর্থক আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (১২ মে) সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা অভিযোগ করে বলেন, একটি বিশেষ মহলের প্রভাবে সাধারণ আইনজীবীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি এবং লিখিতভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। আরও অভিযোগ করা হয়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন দলীয় প্যানেল মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। এমনকি প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদ
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে।
বুধবার (১৩ মে) ও বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দু’দিনব্যাপী এই নির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি সমর্থক আইনজীবীরা অংশ নিয়েছেন।
সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ মোট ১৪টি পদের বিপরীতে ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে ১১ হাজার ৮৯জন ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এদিকে নির্বাচনে অনিয়ম, প্যানেল ভিত্তিক রাজনীতির প্রভাব এবং সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছেন আওয়ামী সমর্থক আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা অভিযোগ করে বলেন, একটি বিশেষ মহলের প্রভাবে সাধারণ আইনজীবীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি এবং লিখিতভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আরও অভিযোগ করা হয়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন দলীয় প্যানেল মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। এমনকি প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের উপস্থিতি নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট রাশিদা চৌধুরী নীলা প্রমুখ।
জানা গেছে, এবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থীরা নীল প্যানেল, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীরা সবুজ প্যানেলের ব্যানারে এবং এনসিপির প্রার্থীরা লাল-সবুজ প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত উপ-কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সাবেক বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।
এবার সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়েছেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সবুজ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী হলেন আব্দুল বাতেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ড. মো. ইউনুস আলী আকন্দ।
সাধারণ সম্পাদক পদে নীল প্যানেলের প্রার্থী হলেন মোহাম্মদ আলী, সবুজ প্যানেলের প্রার্থী হলেন এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার, এনসিপির প্রার্থী হলেন এস এম আজমল হোসাইন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া, মো. আবু ইয়াহিয়া দুলাল, মো. ওমর ফারুক এবং মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান।
এই নির্বাচনে নীল দলে সহসভাপতি পদে আলহাজ মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কার্যকরি সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন- এ কে এম আজাদ হোসাইন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, মো. কবীর হোসেন, টিপু সুলতান, মো. জিয়াউদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া ও ওয়াহিদা আফরোজ চৌধুরী।
সবুজ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতি পদে মো. আব্দুল হক ও মঈন উদ্দিন ফারুকী, কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো. তারিকুল ইসলাম ও জুবাইর আহমেদ ভূঞা।
কার্যকরি সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন- আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, মাহমুদুল হাসান, মো. ফাইজুল্লাহ, মো. জুবায়ের তায়্যিব ও মুহাম্মদ নাঈম উদ্দিন লিখন। এছাড়া এনসিপির লাল-সবুজ প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আজগর শরিফী, কার্যকরী সদস্য পদে আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, মো. বন-ই-আমিন ও মো. মাজহারুল ইসলাম।
What's Your Reaction?