সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না। বুধবার (২০ মে) জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়। বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘যে সব জুডিসিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, গেজেট দ্বারা তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কারণ যেহেতু অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি, সংসদে পাস হয়নি, সেহেতু তারা এটা (সচিবালয়) চালান কীভাবে? সুতরাং, স্বাভাবিকভাবে তারা মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত হবেন। পরে তাদের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেওয়া হবে।’ ‘এর মানে এই না যে, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না। কারণ পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বা পৃথক করার জন্য বিএনপির বক্তব্য আছে, বিএনপি বড় অংশীজন। ইতিপূর্বে যে কমিটি ছিল, সেই কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। যার ফলে বিএনপির তরফে যে বক্তব্যগুলো, সেই বক্তব্যগুলো আসেনি।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না।

বুধবার (২০ মে) জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়।

বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘যে সব জুডিসিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, গেজেট দ্বারা তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কারণ যেহেতু অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি, সংসদে পাস হয়নি, সেহেতু তারা এটা (সচিবালয়) চালান কীভাবে? সুতরাং, স্বাভাবিকভাবে তারা মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত হবেন। পরে তাদের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেওয়া হবে।’

‘এর মানে এই না যে, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না। কারণ পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বা পৃথক করার জন্য বিএনপির বক্তব্য আছে, বিএনপি বড় অংশীজন। ইতিপূর্বে যে কমিটি ছিল, সেই কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। যার ফলে বিএনপির তরফে যে বক্তব্যগুলো, সেই বক্তব্যগুলো আসেনি। ফলে বিএনপি মনে করছে অধ্যাদেশটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না,’ যোগ করেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা জানান, তাদের দল পরবর্তীতে সংসদে এটি পূর্ণাঙ্গ বিল আকারে আনবে এবং তা পরিপূর্ণভাবে কার্যকারিতা লাভ করবে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এ নিয়ে ভিন্ন রকম মন্তব্য কারারও কোনো প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না।

বিষয়টি আদালত অবমাননার শামিল কি না- এমন প্রশ্নে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘আদালত অবমাননা হবে কেন? সংসদে এটা এখনো পাস হয়নি। বিএনপি তো বলেনি যে এটা আর পাস করবে না। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিল আকারে এমনভাবে আনবে, যাতে পরে এ নিয়ে আর কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে। এখানে আদালত অবমাননার কিছু নেই।

এফএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow