সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনে সম্মত ভারত-রাশিয়া
ভারত ও রাশিয়া পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে একে অপরের ভূখণ্ডে সেনা, যুদ্ধবিমান ও নৌজাহাজ মোতায়েনের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, সর্বোচ্চ তিন হাজার সেনা সদস্য পরস্পরের দেশে মোতায়েন করা যাবে। এ চুক্তির আওতায় শুধু সেনা নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক বিমান ও জাহাজ ব্যবহারের সুযোগও পাবে দুই দেশ। ফলে যৌথ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও গভীর প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘পারস্পরিক লজিস্টিক সহায়তা বিনিময় চুক্তি’-এর আওতায় যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ডিসেম্বরে ভারত সফরের সময় এ সংক্রান্ত একটি আইনে সই করেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর জন্য একে অপরের বিমানঘাঁটি, বন্দর ও আকাশসীমা ব্যবহারের আইনি কাঠামো তৈরি হয়। রাশিয়ার আইন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সরকারি নথি অনুযায়ী, এই চুক্তি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ সামরিক
ভারত ও রাশিয়া পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে একে অপরের ভূখণ্ডে সেনা, যুদ্ধবিমান ও নৌজাহাজ মোতায়েনের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, সর্বোচ্চ তিন হাজার সেনা সদস্য পরস্পরের দেশে মোতায়েন করা যাবে।
এ চুক্তির আওতায় শুধু সেনা নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক বিমান ও জাহাজ ব্যবহারের সুযোগও পাবে দুই দেশ। ফলে যৌথ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও গভীর প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘পারস্পরিক লজিস্টিক সহায়তা বিনিময় চুক্তি’-এর আওতায় যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ডিসেম্বরে ভারত সফরের সময় এ সংক্রান্ত একটি আইনে সই করেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর জন্য একে অপরের বিমানঘাঁটি, বন্দর ও আকাশসীমা ব্যবহারের আইনি কাঠামো তৈরি হয়।
রাশিয়ার আইন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সরকারি নথি অনুযায়ী, এই চুক্তি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন গতি আনবে।
What's Your Reaction?