সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে জনসেবার মানোন্নয়ন ও ডিজিটাল সুবিধা বাড়াতে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এ সেবার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফর শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার পথে তিনি এই সেবার উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলি জানান, কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইন্টারনেট সুবিধা চালু করা হবে। প্রেস সচিব আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে ‘বিনামূল্যে পাবলিক ইন্টারনেট’ চালু করা হচ্ছে। এর আওতায় রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। ইতোমধ্যে কক্সবাজার ও রাজশাহী বিমানবন্দর, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন এবং কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে এ সেবা চালু হয়েছে। সালেহ শিবলি বলেন, এই সেবা চালুর ফলে জনগণ সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহা
দেশের বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে জনসেবার মানোন্নয়ন ও ডিজিটাল সুবিধা বাড়াতে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এ সেবার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফর শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার পথে তিনি এই সেবার উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলি জানান, কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইন্টারনেট সুবিধা চালু করা হবে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে ‘বিনামূল্যে পাবলিক ইন্টারনেট’ চালু করা হচ্ছে। এর আওতায় রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার ও রাজশাহী বিমানবন্দর, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন এবং কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে এ সেবা চালু হয়েছে।
সালেহ শিবলি বলেন, এই সেবা চালুর ফলে জনগণ সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন যোগাযোগ এবং ভ্রমণসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
সরকারের ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী এ ধরনের প্রযুক্তি সুবিধা ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে।
What's Your Reaction?