সৌদি আরবে জিসিসির জরুরি বৈঠক, কী আলোচনা হলো

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) একটি বিশেষ জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেদ্দায় আয়োজিত এ বৈঠকে উপসাগরীয় দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।  মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো জিসিসি দেশগুলোর নেতৃত্ব সরাসরি বৈঠকে মিলিত হলেন। বৈঠকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সম্ভাব্য সামরিক হুমকির জবাব এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি সচল রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রুট দিয়ে তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্য বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। এদিকে বৈঠকের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় আসে ওপেক থেকে আরব আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এ সিদ্ধান্তকে দেশটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম তেল উৎপাদক দেশ আমিরাত জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক উৎপাদন প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বাড়িয়ে ৫ মিলিয়

সৌদি আরবে জিসিসির জরুরি বৈঠক, কী আলোচনা হলো
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) একটি বিশেষ জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেদ্দায় আয়োজিত এ বৈঠকে উপসাগরীয় দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।  মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো জিসিসি দেশগুলোর নেতৃত্ব সরাসরি বৈঠকে মিলিত হলেন। বৈঠকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সম্ভাব্য সামরিক হুমকির জবাব এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি সচল রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রুট দিয়ে তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্য বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। এদিকে বৈঠকের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় আসে ওপেক থেকে আরব আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এ সিদ্ধান্তকে দেশটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম তেল উৎপাদক দেশ আমিরাত জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক উৎপাদন প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বাড়িয়ে ৫ মিলিয়ন ব্যারেলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে কাতার আবারও জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসানে একটি সমন্বিত চুক্তি জরুরি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow