সৌদি আরবে নিখোঁজ বাংলাদেশি যুবক
সৌদি আরবে ৯ দিন ধরে মাহামুদুর হাসান নিংকন (২৬) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিখোঁজ রয়েছেন ।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ফুড ডেলিভারি দিতে বেরিয়ে সৌদির দাম্মাম কাতিফ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি।
নিখোঁজ যুবকের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পরান গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের স্কুল শিক্ষক আশরাফুল ইসলামের বড় ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার বছর ধরে নিংকন সৌদি আরবে বসবাস করছেন। তিনি সেখানে ফুড ডেলিভারি কোম্পানির রাইডার হিসেবে চাকরি করতেন। বছরখানেক ধরে নিজেই ফুড ডেলিভারির কাজ করছিলেন। গত ২ মাস ধরে তিনি দাম্মাম শহরের কাতিফ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ফুড ডেলিভারি দিতে বের হন। পরে আর বাসায় ফিরে আসেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তার সন্ধান চালালেও কোনো খোঁজ মেলেনি। এ নিয়ে তার পরিবারে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নিংকনের মা নাজমা খাতুন বলেন, আমার ছেলে এখন কোথায় আছে, কেমন আছে কিছুই জানি না। আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সৌদি আরবের প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে নিংকনের মা নাজমা খাতুন নিখোঁজ
সৌদি আরবে ৯ দিন ধরে মাহামুদুর হাসান নিংকন (২৬) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিখোঁজ রয়েছেন ।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ফুড ডেলিভারি দিতে বেরিয়ে সৌদির দাম্মাম কাতিফ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি।
নিখোঁজ যুবকের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পরান গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের স্কুল শিক্ষক আশরাফুল ইসলামের বড় ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার বছর ধরে নিংকন সৌদি আরবে বসবাস করছেন। তিনি সেখানে ফুড ডেলিভারি কোম্পানির রাইডার হিসেবে চাকরি করতেন। বছরখানেক ধরে নিজেই ফুড ডেলিভারির কাজ করছিলেন। গত ২ মাস ধরে তিনি দাম্মাম শহরের কাতিফ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ফুড ডেলিভারি দিতে বের হন। পরে আর বাসায় ফিরে আসেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তার সন্ধান চালালেও কোনো খোঁজ মেলেনি। এ নিয়ে তার পরিবারে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নিংকনের মা নাজমা খাতুন বলেন, আমার ছেলে এখন কোথায় আছে, কেমন আছে কিছুই জানি না। আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সৌদি আরবের প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে নিংকনের মা নাজমা খাতুন নিখোঁজ ছেলের সন্ধান চেয়ে গত বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালকের প্রতি লিখিত আবেদন করেছেন। এতে পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত তার সন্ধান পেতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।