স্কুলে ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা ধস
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুলে ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে ৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রায়পুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর কক্ষে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহতরা হলেন- ৬ষ্ঠ শ্রেণীর সাদিয়া আক্তার, নাদিয়া আক্তার ও রিতু বনিকসহ ৭ জন শিক্ষার্থী। তিনজনকে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায়, ক্লাস চলাকালে হঠাৎ ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে ওই ৭ জন শিক্ষার্থীর ওপর। এতে তিনজনের মাথায় এবং অপরজনের পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাদের দ্রুত রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, পুরোনো ভবন দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মানসম্মত কাজ না হওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুলটি পরিদর্শন করে নতুন ভবনের জন্য গত ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরে প্রধান শিক্ষক আবেদন করলেও গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ করা হয়। স্কুল সূত্র জানায়, ঘটনার পরপরই শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুলে ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে ৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রায়পুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর কক্ষে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আহতরা হলেন- ৬ষ্ঠ শ্রেণীর সাদিয়া আক্তার, নাদিয়া আক্তার ও রিতু বনিকসহ ৭ জন শিক্ষার্থী। তিনজনকে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, ক্লাস চলাকালে হঠাৎ ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে ওই ৭ জন শিক্ষার্থীর ওপর। এতে তিনজনের মাথায় এবং অপরজনের পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাদের দ্রুত রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, পুরোনো ভবন দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মানসম্মত কাজ না হওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুলটি পরিদর্শন করে নতুন ভবনের জন্য গত ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরে প্রধান শিক্ষক আবেদন করলেও গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ করা হয়।
স্কুল সূত্র জানায়, ঘটনার পরপরই শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী নাদিরা ও সাদিয়া বলেন, ক্লাস চলাকালে হঠাৎ ছাদ খসে পড়ে ৭ শিক্ষার্থী আহত হন। পরে ৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয় ও তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বলেন, পাঠদানের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে শ্রেণী কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো সহযোগিতা পাইনি। আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ থাকার বিষয়টি আমাদেরকে অবহিত করা হয়েছিল। ঝুঁকির বিষয়টি আমরাও আমাদের ঊর্ধ্বতন অফিসকে জানিয়েছি। কিন্তু বরাদ্দ না থাকায় কোনো উদ্যোগ নেওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?