স্বপ্নের বিয়ে থেকে দুঃস্বপ্নের সংসার, যা বললেন সেলিনা জেটলি
প্রেমের টানে স্বপ্নের সংসার গড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়া প্রবাসী হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগের সঙ্গে বিয়ের মাধ্যমে নতুন জীবনের সূচনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ভালোবাসার গল্পই সময়ের সঙ্গে রূপ নেয় দুঃসহ এক বাস্তবতায়। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নাকি নীরবে সহ্য করেছেন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন— এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে এবার মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী। তার দাবি, একজন সফল ও শিক্ষিত নারী হয়েও বছরের পর বছর ধরে তিনি এমন এক দাম্পত্য জীবনে আটকে ছিলেন, যা তার কাছে ছিল যেন নরকযন্ত্রণা।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে নিজের জীবনের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন সেলিনা জেটলি। ডিভোর্সনামায় সেলিনা উল্লেখ করেছেন, বিয়ের পর থেকেই পিটার হাগ তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন। তার পরিবার থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার গয়না ও উপহার দেওয়ার পরও শান্ত হননি পিটার। এমনকি ইতালিতে মধুচন্দ্রিমার সময় অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসকের কাছে যেতে চাইলে তার দিকে মদের গ্লাস ছুড়ে মারা হয়।
তার কথায়, ইতালিতে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে যখন প্রিয়ডের তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছি, পিটারকে বলেছিলাম
প্রেমের টানে স্বপ্নের সংসার গড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়া প্রবাসী হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগের সঙ্গে বিয়ের মাধ্যমে নতুন জীবনের সূচনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ভালোবাসার গল্পই সময়ের সঙ্গে রূপ নেয় দুঃসহ এক বাস্তবতায়। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নাকি নীরবে সহ্য করেছেন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন— এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে এবার মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী। তার দাবি, একজন সফল ও শিক্ষিত নারী হয়েও বছরের পর বছর ধরে তিনি এমন এক দাম্পত্য জীবনে আটকে ছিলেন, যা তার কাছে ছিল যেন নরকযন্ত্রণা।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে নিজের জীবনের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন সেলিনা জেটলি। ডিভোর্সনামায় সেলিনা উল্লেখ করেছেন, বিয়ের পর থেকেই পিটার হাগ তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন। তার পরিবার থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার গয়না ও উপহার দেওয়ার পরও শান্ত হননি পিটার। এমনকি ইতালিতে মধুচন্দ্রিমার সময় অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসকের কাছে যেতে চাইলে তার দিকে মদের গ্লাস ছুড়ে মারা হয়।
তার কথায়, ইতালিতে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে যখন প্রিয়ডের তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছি, পিটারকে বলেছিলাম, ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে। ও রেগে গিয়ে চেঁচিয়ে আমার দিকে গ্লাস ছুড়ে মারে।
সেলিনার দাবি, যমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর আচরণও করেছেন তার স্বামী। এছাড়া ২০১২ সালের দিল্লিতে ধর্ষণের ঘটনার উদাহরণ টেনে তাকে ভয়াবহ হুমকি দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সেলিনা আরও উল্লেখ করেন, ২০১৪-১৫ সাল থেকে আমাকে ওর অফিসের উচ্চপদস্থ কর্মীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হতে বাধ্য করত। বলত, এতে অফিসে ওর প্রোমোশন হবে। রাত হলেই আমাকে ওপরের ঘরে ডেকে পাঠিয়ে চলত অকথ্য যৌনঅত্যাচার। আমাকে ‘যৌন পুতুল’ হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। এছাড়া নিয়মিত বিকৃত যৌনচার এবং নগ্ন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার মতো গুরুতর অভিযোগও এনেছেন সেলিনা।
এছাড়া সম্প্রতি এক পোস্টে সেলিনা উল্লেখ করেন, যখন কেউ নিজের দেশ, পরিবার ও সংস্কৃতি ছেড়ে দীর্ঘ সময় বিদেশে কাটায়, তখন সে ধীরে ধীরে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়। কিন্তু এক সময় সে বুঝতে পারে, যে মাটির সাথে তার শৈশবের স্মৃতি জড়িত নয়, সেখানে সে কখনোই পুরোপুরি ‘নিজের’ হতে পারে না।
এদিকে বছরখানেক ধরে সিনেপর্দা, লাইমলাইটের অন্তরালে থাকলেও এক সমইয়ের ‘বোল্ড’ বলিউড নায়িকার এই পোস্ট নিয়ে রীতিমতো নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা চলছে। বর্তমানে তার তিন সন্তান অস্ট্রিয়ায় রয়েছে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি অভিনেত্রীর।
এই পরিস্থিতিতে সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার ও উপার্জনের ক্ষতির ক্ষতিপূরণ বাবদ পিটারের কাছে খোরপোশ দাবি করেছেন তিনি।