স্যুটকেসে মিললো জনপ্রিয় মডেলের মরদেহ, ব্রিটিশ নাগরিক গ্রেফতার
কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে স্যুটকেসবন্দি অবস্থায় জনপ্রিয় মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নাটালিয়া ভিয়ালবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে এক ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ফ্ল্যাটের বাথরুমে রাখা একটি ট্রাভেল স্যুটকেসের ভেতর থেকে নাটালিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এরপর শুরু হয় তদন্ত। হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার-স্মিথ নামে এক ব্রিটিশ নাগরিক। অভিযোগ, হত্যার পর তিনি ভুয়া পরিচয় ও জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে কলম্বিয়া ছেড়ে ইকুয়েডরে পালিয়ে যান। আরও পড়ুন দর্শকের আগ্রহের শীর্ষে রণবীরের ‘রামায়ণ’ পরে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর ও যুক্তরাজ্যের ডরসেট পুলিশের যৌথ অভিযানে গত ২৬ জুন ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে কিতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের দাবি, নাটালিয়া ফ্ল্যাটে একা থাকাকালে অভিযুক্ত সেখানে প্রবেশ করে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর প্রমাণ গোপন করতে মরদেহ স্যুটকেসে ভরে বাথরুমে লুকিয়ে রাখা হয়। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে সন্দ
কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে স্যুটকেসবন্দি অবস্থায় জনপ্রিয় মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নাটালিয়া ভিয়ালবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে এক ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফ্ল্যাটের বাথরুমে রাখা একটি ট্রাভেল স্যুটকেসের ভেতর থেকে নাটালিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এরপর শুরু হয় তদন্ত।
হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার-স্মিথ নামে এক ব্রিটিশ নাগরিক। অভিযোগ, হত্যার পর তিনি ভুয়া পরিচয় ও জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে কলম্বিয়া ছেড়ে ইকুয়েডরে পালিয়ে যান।

দর্শকের আগ্রহের শীর্ষে রণবীরের ‘রামায়ণ’
পরে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর ও যুক্তরাজ্যের ডরসেট পুলিশের যৌথ অভিযানে গত ২৬ জুন ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে কিতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের দাবি, নাটালিয়া ফ্ল্যাটে একা থাকাকালে অভিযুক্ত সেখানে প্রবেশ করে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর প্রমাণ গোপন করতে মরদেহ স্যুটকেসে ভরে বাথরুমে লুকিয়ে রাখা হয়।
তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজনকে ফ্ল্যাট থেকে বিছানার চাদর ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
তদন্তকারীরা জানান, গত ৩ জুন থেকে ওই ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন নাটালিয়া। ২১ জুনের মধ্যে তার ফ্ল্যাট ছাড়ার কথা ছিল। পরদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে গিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্যুটকেসের ভেতর মরদেহ দেখতে পান।
গ্রেফতারের আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাথিউ দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি একটি আইরিশ বারে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। পরে শপিং সেন্টারে গিয়ে আইসক্রিম খেয়ে আবার খেলা দেখতে ফিরে আসেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।
তবে ব্রিটিশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার-স্মিথের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে এক ব্যক্তিকে উত্যক্ত ও হয়রানির দায়ে তিনি দুই বছর কারাভোগ করেন।
এলআইএ
What's Your Reaction?
