হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় মেয়ের জামাইয়ের যাবজ্জীবন
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় মেয়ের জামাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত হচ্ছেন- মো. আব্দুল কাদির মিয়া (৫০)। তিনি চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায় ঘোষণাকালে আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন টেকনাফ সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে গোলাগুলি রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আফজাল হোসেন জানান, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামি কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ (মধ্যপ্রাচ্যে) অবস্থান করছেন। তার পাঠানো টাকা নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে কাদির মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রা
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় মেয়ের জামাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হচ্ছেন- মো. আব্দুল কাদির মিয়া (৫০)। তিনি চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে।
আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায় ঘোষণাকালে আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আফজাল হোসেন জানান, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামি কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ (মধ্যপ্রাচ্যে) অবস্থান করছেন। তার পাঠানো টাকা নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে কাদির মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে রান্না ঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন কাদির। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদি হয়ে একমাত্র কাদির মিয়াকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা করেন। ২০১২ সালের ৮ মে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। রাষ্ট্রপক্ষে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে বিচারক মঙ্গলবার উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?
