হরমুজে মাইন বসানো নৌকা গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্পের
হরমুজ প্রলালিতে মাইন বসানো নৌকাগুলোকে গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি, এ বিষয়ে কোনো মার্কিন নৌবাহিনীকে দ্বিধা না করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, কোনো ধরনের দ্বিধা থাকা চলবে না। মার্কিন মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলোকে তাদের অভিযান তিন গুণ ‘বেশি মাত্রায়’ চালিয়ে যেতে হবে। এ ঘোষণা এমন এক সময় এলো, যখন ইরানকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই এই পথটি কার্যত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। ট্রাম্প ইরানকে চাপ দিচ্ছেন যেন তারা একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেয়। এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে প্রেসিডেন্ট নিজ উদ্যোগে তা বাড়িয়েছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ আরোপ করে, যাতে তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে বাধ্য হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ৩১
হরমুজ প্রলালিতে মাইন বসানো নৌকাগুলোকে গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি, এ বিষয়ে কোনো মার্কিন নৌবাহিনীকে দ্বিধা না করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, কোনো ধরনের দ্বিধা থাকা চলবে না। মার্কিন মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলোকে তাদের অভিযান তিন গুণ ‘বেশি মাত্রায়’ চালিয়ে যেতে হবে।
এ ঘোষণা এমন এক সময় এলো, যখন ইরানকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই এই পথটি কার্যত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে।
ট্রাম্প ইরানকে চাপ দিচ্ছেন যেন তারা একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেয়। এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে প্রেসিডেন্ট নিজ উদ্যোগে তা বাড়িয়েছেন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ আরোপ করে, যাতে তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে বাধ্য হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ৩১টি জাহাজ ফিরিয়ে যেতে বা বন্দরে ফিরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে এই অবরোধের অংশ হিসেবে।
ট্রাম্প যুদ্ধজুড়েই দাবি করে আসছেন যে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে জয় লাভ করেছে ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কার্যত ওয়াশিংটনের হাতেই রয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিএনবিসির ‘স্কোয়াক বক্স’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রণালির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে আমাদের কাছে রয়েছে।
তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের (ট্যাংকার) চলাচল এখনো অনেক কম। এই পথটি সাধারণত বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: ওয়্যাল স্ট্রিট জার্নাল
এসএএইচ
What's Your Reaction?