হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকেও পাশে চান ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগ কামনা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যে দেশগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেল ব্যবহার করে তাদেরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো দেশগুলো যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেল ব্যবহার করে, তাহলে এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তাদের দায়িত্ব হওয়া উচিত। ট্রাম্পের মতে, এই দায়িত্ব এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নয়; বরং এটি একটি যৌথ প্রচেষ্টা হওয়া দরকার। তিনি ইঙ্গিত দেন, যে দেশগুলো তেল পায় তাদেরই প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসা উচিত। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ইঙ্গিত করছে যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ রয়ে গেছে। ইরান কার্যত এই পথ বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে এই অঞ্চলে বিপুল সামরিক উপস্থিতি

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকেও পাশে চান ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগ কামনা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, যে দেশগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেল ব্যবহার করে তাদেরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো দেশগুলো যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেল ব্যবহার করে, তাহলে এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তাদের দায়িত্ব হওয়া উচিত।

ট্রাম্পের মতে, এই দায়িত্ব এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নয়; বরং এটি একটি যৌথ প্রচেষ্টা হওয়া দরকার। তিনি ইঙ্গিত দেন, যে দেশগুলো তেল পায় তাদেরই প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসা উচিত।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ইঙ্গিত করছে যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ রয়ে গেছে। ইরান কার্যত এই পথ বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে এই অঞ্চলে বিপুল সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে এবং অতিরিক্ত মেরিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow