‘হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’

২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।  তিনি বলেছেন, ওই নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে বড় ধরনের ব্যবধান ছিল। সে সময় দুদক ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‍্যাক)-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আবদুল মোমেন বলেন, হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময়টা আমাদের হাতে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে অত সূক্ষ্মভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো প্রার্থীর হলফনামায় প্রদর্শিত সম্পদ নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে তা অনুসন্ধান করে সবার আগে দুদকের কাছে তুলে ধরতে। আপনারাও (সাংবাদিক) অনুসন্ধানকারী। আপনাদের অনুসন্ধান আমাদের কাজকে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না, হলফনামায় প

‘হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’

২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। 

তিনি বলেছেন, ওই নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে বড় ধরনের ব্যবধান ছিল। সে সময় দুদক ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‍্যাক)-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল মোমেন বলেন, হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময়টা আমাদের হাতে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে অত সূক্ষ্মভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো প্রার্থীর হলফনামায় প্রদর্শিত সম্পদ নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে তা অনুসন্ধান করে সবার আগে দুদকের কাছে তুলে ধরতে। আপনারাও (সাংবাদিক) অনুসন্ধানকারী। আপনাদের অনুসন্ধান আমাদের কাজকে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না, হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিকরা বা অবৈধভাবে বিত্ত-বৈভবের মালিকরা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের শাসক হোক।

দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন বলেন, ‌সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কমিশনের প্রত্যাশা। দুর্নীতি দেশের একটি বড় সংকট। এই সংকট নিরসনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতের শাসকরা যেন ন্যায়নিষ্ঠ ও সৎ হন, এটাই দুদকের প্রত্যাশা।

র‍্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow