হাউসফুল ‘প্রেশার কুকার’
ঈদের আমেজ আর সিনেমা হলের রোমাঞ্চ যখন একবিন্দুতে মিলিত হয়, তখন জন্ম নেয় এক নতুন ইতিহাস। ঠিক তেমনই এক ইতিহাস সৃষ্টি করছে নির্মাতা রায়হান রাফীর নতুন মাস্টারপিস ‘প্রেশার কুকার’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে যে গণজোয়ার দেখা যাচ্ছে, তা কেবল ব্যবসা নয়, বরং বাংলা সিনেমার পুনর্জাগরণের বার্তা দিচ্ছে। রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সিনেপ্লেক্সগুলোতে এখন একটাই শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—হাউসফুল! দর্শকরা বুঁদ হয়ে আছেন এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতায়। রায়হান রাফী নিজেই এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। এ বিষয়ে সিনেমার নির্মাতা রায়হান রাফি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জয় হোক বাংলা সিনেমার। দর্শকদের মুখে মুখেই ‘প্রেশার কুকার’ ছড়িয়ে পড়ছে—এর থেকে বড় মার্কেটিং আর কী হতে পারে! হলে এমন এক্সপিরিয়েন্স আমাদের অডিয়েন্স আগে কখনো পায়নি’ ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও কানন ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমার প্রাণভোমরা এর গল্প। ছবির মূল আকর্ষণ চার শক্তিশালী নারী চরিত্র—শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত। তাদের সাথে রয়েছেন একঝাঁক কিংবদন্তি অভিনেতার উপস্থিতি
ঈদের আমেজ আর সিনেমা হলের রোমাঞ্চ যখন একবিন্দুতে মিলিত হয়, তখন জন্ম নেয় এক নতুন ইতিহাস। ঠিক তেমনই এক ইতিহাস সৃষ্টি করছে নির্মাতা রায়হান রাফীর নতুন মাস্টারপিস ‘প্রেশার কুকার’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে যে গণজোয়ার দেখা যাচ্ছে, তা কেবল ব্যবসা নয়, বরং বাংলা সিনেমার পুনর্জাগরণের বার্তা দিচ্ছে।
রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সিনেপ্লেক্সগুলোতে এখন একটাই শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—হাউসফুল! দর্শকরা বুঁদ হয়ে আছেন এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতায়। রায়হান রাফী নিজেই এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত।
এ বিষয়ে সিনেমার নির্মাতা রায়হান রাফি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জয় হোক বাংলা সিনেমার। দর্শকদের মুখে মুখেই ‘প্রেশার কুকার’ ছড়িয়ে পড়ছে—এর থেকে বড় মার্কেটিং আর কী হতে পারে! হলে এমন এক্সপিরিয়েন্স আমাদের অডিয়েন্স আগে কখনো পায়নি’
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও কানন ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমার প্রাণভোমরা এর গল্প। ছবির মূল আকর্ষণ চার শক্তিশালী নারী চরিত্র—শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত। তাদের সাথে রয়েছেন একঝাঁক কিংবদন্তি অভিনেতার উপস্থিতি। তারা হলেন, •ফজলুর রহমান বাবু , শহীদুজ্জামান সেলিম ,মিশা সওদাগর, আজিজুল হাকিমসহ আরও অনেকে।
তাদের ভিন্ন ভিন্ন জীবনের গল্পকে নির্মাতা এক সুতোয় গেঁথেছেন এমন এক দক্ষতায়, যা দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে।
দীর্ঘ ব্যাপ্তির সিনেমা হওয়া সত্ত্বেও দর্শক এক মুহূর্তের জন্য চোখ সরাতে পারছেন না। অংকনের কণ্ঠে গাওয়া গানটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। সেই সাথে ছবির সিনেমাটোগ্রাফি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এক আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা দিচ্ছে।
এদিকে সিনেমাহলগুলোতে নির্মাতা নিজেই দর্শকদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। অনেকে বলছেন, ‘তুফান’ ও ‘তাণ্ডব’-এর সাফল্যের পর রাফী নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। এই ‘ওয়ার্ড অব মাউথ’ বা মুখে মুখে ছড়ানো প্রশংসা ছবিটির বক্স অফিস সংগ্রহে যে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি আনবে, তা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
What's Your Reaction?