হাওরাঞ্চলে এক মাসে শিক্ষার মানোন্নয়ন না হলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ববি
হাওরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এই সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৭ জুলাই) সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরপাড়ের কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের শাহাগঞ্জ, সোলেমানপুর ও পাঠাবুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী নিজেই শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ধর্মশিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রিডিং ও রাইটিং দক্ষতা যাচাই করেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে শিক্ষকদের পাঠদানে কিছু ঘাটতি ও ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখতে পেয়ে তিনি হাওরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার
হাওরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এই সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৭ জুলাই) সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরপাড়ের কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের শাহাগঞ্জ, সোলেমানপুর ও পাঠাবুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী নিজেই শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ধর্মশিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রিডিং ও রাইটিং দক্ষতা যাচাই করেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে শিক্ষকদের পাঠদানে কিছু ঘাটতি ও ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখতে পেয়ে তিনি হাওরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না এলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাওরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি কাটিয়ে তুলতে বিষয়ভিত্তিক মৌলিক পাঠদানের (বেসিক ক্লাস) ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্গম ও হাওর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষাসেবা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল হাওরাঞ্চলের শিক্ষকদের জন্য হাওর ভাতা চালুর দাবি জানালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক এলাকা বাস্তবে হাওর হলেও সরকারি নথিতে এখনো হাওর এলাকা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ কারণে হাওর ভাতা নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। বিষয়টি সমাধানে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জের হাওরের ক্যাচমেন্ট বা অববাহিকা এলাকায় স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে অন্য এলাকা থেকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হয়। দুর্গম এলাকায় শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে, তবে এর জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, হাওর ও দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সম্ভাব্য সমাধান ও করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর সফরকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পিটিআই সুপার দীপঙ্কর মোহন্ত, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহনলাল দাস, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোলেমান মিয়া।
What's Your Reaction?