হাকালুকিতে জব্দ পোনা মাছ বিতরণ করা হলো এতিমখানায়
সিলেট বিভাগের ৫টি উপজেলা নিয়ে বেষ্টিত এশিয়ার বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি নামে খ্যাত হাকালুকি হাওরে অবাধে পোনা মাছ নিধন শুরু হয়েছে।
দেশীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও পোনা মাছ নিধন রোধে হাকালুকি হাওরে অভিযান পরচিালনা করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা পোনা মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত নিষিদ্ধ জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
মঙ্গলবার (১২ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকালুকি হাওরের পোতাওয়ালি বিলে এ অভিযান পরিচালনা করেন জুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান। জুড়ী থানার এসআই ফরহাদ আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে।
অভিযানে প্রায় ২০ কেজি বিভিন্ন জাতের পোনা মাছ, দুটি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল এবং একটি ফিক্সড ইঞ্জিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছ ও জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত পোনা মাছ স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়া পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর অবৈধ জাল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্
সিলেট বিভাগের ৫টি উপজেলা নিয়ে বেষ্টিত এশিয়ার বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি নামে খ্যাত হাকালুকি হাওরে অবাধে পোনা মাছ নিধন শুরু হয়েছে।
দেশীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও পোনা মাছ নিধন রোধে হাকালুকি হাওরে অভিযান পরচিালনা করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা পোনা মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত নিষিদ্ধ জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
মঙ্গলবার (১২ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকালুকি হাওরের পোতাওয়ালি বিলে এ অভিযান পরিচালনা করেন জুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান। জুড়ী থানার এসআই ফরহাদ আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে।
অভিযানে প্রায় ২০ কেজি বিভিন্ন জাতের পোনা মাছ, দুটি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল এবং একটি ফিক্সড ইঞ্জিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছ ও জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত পোনা মাছ স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়া পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর অবৈধ জাল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হাকালুকি হাওর আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য ভান্ডার। অবৈধ জাল ব্যবহার করে পোনা মাছ নিধন করলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জীববৈচিত্র ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় অবৈধ জাল ও পোনা মাছ নিধনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলমান রয়েছে। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জুড়ী উপজেলা মৎস্য বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে হাকালুকি হাওরে অবৈধ মাছ শিকার অনেকাংশে কমে এসেছে এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। হাওরের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা, বিশেষ করে মা-মাছ এবং পোনামাছ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান সব সময় পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি।