‘হাদি হত্যার আগে-পরে কি ঘটেছিল এ নিয়ে লিখবো’
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যদের কাছে ‘ক্ষমা চেয়েছেন’ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক নিহত শরীফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর হাদি। এছাড়াও তার ভাইয়ের হত্যার আগে ও পরে ঠিক কী ঘটেছিল তা নিয়ে তিনি বিস্তারিত লিখবেন বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে শরিফ ওমর লিখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের ভাইদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, আমার ভাই ওসমান হাদি হ/ত্যা/র আগে এবং পরে তার সাথে ঠিক কি ঘটেছিল এ নিয়ে আমি বিস্তারিত লিখবো। অনেক লেখা ভাইদের বিরুদ্ধে যাবে এজন্য আমাকে মাফ করবেন।’
স্ট্যাটাসে ওমর হাদি এ ঘোষণার পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়; যা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন এবং ওমর হাদির বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জ
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যদের কাছে ‘ক্ষমা চেয়েছেন’ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক নিহত শরীফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর হাদি। এছাড়াও তার ভাইয়ের হত্যার আগে ও পরে ঠিক কী ঘটেছিল তা নিয়ে তিনি বিস্তারিত লিখবেন বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে শরিফ ওমর লিখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের ভাইদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, আমার ভাই ওসমান হাদি হ/ত্যা/র আগে এবং পরে তার সাথে ঠিক কি ঘটেছিল এ নিয়ে আমি বিস্তারিত লিখবো। অনেক লেখা ভাইদের বিরুদ্ধে যাবে এজন্য আমাকে মাফ করবেন।’
স্ট্যাটাসে ওমর হাদি এ ঘোষণার পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়; যা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন এবং ওমর হাদির বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরে তার লাশ দেশে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে দাফন করা হয়।