হাদি হত্যা: সিবিয়ন ও সঞ্জয়ের জামিন আবেদন নাকচ

  ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় মূল আসামিদের ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেফতার দুই সহযোগী সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা শেষে ফেরার পথে সশস্ত্র হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা চলন্ত যানবাহনে থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে এনে দাফন সম্পন্ন করা হয়। ঘটনার পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা

হাদি হত্যা: সিবিয়ন ও সঞ্জয়ের জামিন আবেদন নাকচ

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় মূল আসামিদের ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেফতার দুই সহযোগী সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা শেষে ফেরার পথে সশস্ত্র হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা চলন্ত যানবাহনে থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি গুরুতর আহত হন।

প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে এনে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

ঘটনার পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

তদন্তে উঠে আসে, হামলার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিরা ময়মনসিংহের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। এই পালিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সরাসরি সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। আদালত পর্যবেক্ষণে মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এবং তদন্তের স্বার্থে তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে বাদীর আপত্তির পর আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে পাঠান। বর্তমানে সংস্থাটি মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

এমডিএএ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow