হামে আক্রান্ত প্রায় ৬৫ শতাংশ শিশুর বয়স ৬ মাসের নিচে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, রামেক হাসপাতালে এখন হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।
আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ৬ মাসের নিচে, যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে কম।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে রামেক হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হাম রোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩০ জন শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় মাত্র একজনের শরীরে হাম পজিটিভ পাওয়া গেছে। বাকি ২৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়নি, যদিও তারা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল।’
চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে ডা. শাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন শিশুদের জন্য আলাদা কর্নার নির্ধারণ করা হয়েছে। শিশু বিভাগের দুটি ওয়ার্ডে পৃথকভাবে আইসোলেশন কর্নার তৈরি করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৩০ নং ওয়ার্ডকে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নত
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, রামেক হাসপাতালে এখন হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।
আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ৬ মাসের নিচে, যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে কম।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে রামেক হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হাম রোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩০ জন শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় মাত্র একজনের শরীরে হাম পজিটিভ পাওয়া গেছে। বাকি ২৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়নি, যদিও তারা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল।’
চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে ডা. শাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন শিশুদের জন্য আলাদা কর্নার নির্ধারণ করা হয়েছে। শিশু বিভাগের দুটি ওয়ার্ডে পৃথকভাবে আইসোলেশন কর্নার তৈরি করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৩০ নং ওয়ার্ডকে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলাম বলেন, ‘১২০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ২৫০০ থেকে ৩৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’