হাসপাতালে ৩ মাসের শিশুকে রেখে উধাও অভিভাবক

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু ওয়ার্ডে তিন মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে রেখে উধাও হয়েছেন তার অভিভাবকরা। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত শিশুটির প্রকৃত কোনো স্বজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শনিবার (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তথ্য নিশ্চিত করেছে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাকলুকুর রহমান। তিনি জানান, শুক্রবার বিকেলে শিশু ওয়ার্ডের সেফ কর্নারে জ্বর ও খিঁচুনিতে আক্রান্ত ওই শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন নার্সরা। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সঙ্গে কাউকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানার পরপরই দ্রুত শিশুটিকে জরুরি চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। ডা. মাকলুকুর রহমান আরও জানান, বর্তমানে শিশুটি আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ আছে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএস), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সমাজসেবা অধিদপ্তর ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত শিশুটির কোনো অভিভাবকের পরিচয় মেলেনি। চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, বিষয়টি জানার পর শিশুট

হাসপাতালে ৩ মাসের শিশুকে রেখে উধাও অভিভাবক

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু ওয়ার্ডে তিন মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে রেখে উধাও হয়েছেন তার অভিভাবকরা। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত শিশুটির প্রকৃত কোনো স্বজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শনিবার (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তথ্য নিশ্চিত করেছে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাকলুকুর রহমান।

তিনি জানান, শুক্রবার বিকেলে শিশু ওয়ার্ডের সেফ কর্নারে জ্বর ও খিঁচুনিতে আক্রান্ত ওই শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন নার্সরা। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সঙ্গে কাউকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানার পরপরই দ্রুত শিশুটিকে জরুরি চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ডা. মাকলুকুর রহমান আরও জানান, বর্তমানে শিশুটি আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ আছে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএস), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সমাজসেবা অধিদপ্তর ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত শিশুটির কোনো অভিভাবকের পরিচয় মেলেনি।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, বিষয়টি জানার পর শিশুটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছি। আমি তাকে দেখতে যাব। শিশুটি সুস্থ হওয়ার পরেও যদি অভিভাবককে খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow