হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবিতে কাফনের কাপড় পরে চাষিদের অনশন
রংপুরে হিমাগার ভাড়া কমানো এবং আলুর ন্যায্য মূল্যের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। বুধবার (১ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘রংপুর জেলা আলু চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতি’র ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩ শতাধিক চাষি অংশ নিয়েছেন। অনশনরত চাষিদের অভিযোগ, হিমাগার মালিকরা কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই একতরফাভাবে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) আলুর ভাড়া ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। অথচ গত মৌসুমে এ ভাড়া অনেক কম ছিল। কৃষকদের দাবি, প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে হিমাগার মালিকদের খরচ হয় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে ভাড়া ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আন্দোলনরত কৃষকরা জানান, বর্তমানে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা। অথচ বাজারে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে আলু বিক্রি করে তারা নিঃস্ব হচ্ছেন। এই সংকট থেকে উত্তরণে আলু রপ্তানি এবং ভর্তুকি প্রদানের দাবিও জানান তারা। রংপুর জেলা আলু চাষি ও ব্যবসায়ী সমি
রংপুরে হিমাগার ভাড়া কমানো এবং আলুর ন্যায্য মূল্যের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘রংপুর জেলা আলু চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতি’র ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩ শতাধিক চাষি অংশ নিয়েছেন।
অনশনরত চাষিদের অভিযোগ, হিমাগার মালিকরা কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই একতরফাভাবে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) আলুর ভাড়া ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। অথচ গত মৌসুমে এ ভাড়া অনেক কম ছিল।
কৃষকদের দাবি, প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে হিমাগার মালিকদের খরচ হয় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে ভাড়া ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আন্দোলনরত কৃষকরা জানান, বর্তমানে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা। অথচ বাজারে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে আলু বিক্রি করে তারা নিঃস্ব হচ্ছেন। এই সংকট থেকে উত্তরণে আলু রপ্তানি এবং ভর্তুকি প্রদানের দাবিও জানান তারা।
রংপুর জেলা আলু চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘রংপুরে এবার ৩০ লাখ টনের বেশি আলু উৎপাদিত হয়েছে। কিন্তু হিমাগার ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে কৃষকদের বিপাকে ফেলা হয়েছে। আমাদের দাবি মানা না হলে আগামী ১৫ জুলাই থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অনশন কর্মসূচি চলবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, গত ১৭ জুন একই দাবিতে রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
জিতু কবীর/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?