হেলিকপ্টারে ছেলের বউ বাড়িতে আনলেন বাবা  

ছেলে যদি কখনো প্রেম না করে, তবে ধুমধাম করে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে বিয়ের আয়োজন করবেন। এমনই এক অদ্ভুত পণ করেছিলেন মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার উত্তরতরা গ্রামের হোসেন আলী। আর যেমন কথা, তেমনই কাজ! শর্ত হুবহু মেনে চলায় এবার হেলিকপ্টারে চেপেই ছেলের বৌকে ঘরে তুললেন হোসেন আলী। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে ঘিওর উপজেলার উত্তর তরা গ্রামে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে। জানা যায়, ঘিওর উপজেলার উত্তরতরা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে কামরুল হাসান কখনো কোনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি। সবসময় ভদ্র ও মার্জিতভাবে চলাফেরা করেছেন। বাবার প্রতিশ্রুতি ছিল ছেলে যদি প্রেম না করে নিজের চরিত্র ও ভদ্রতা বজায় রাখে, তবে তাকে রাজকীয়ভাবে হেলিকপ্টারে বর সাজিয়ে বউ আনতে পাঠাবেন। অবশেষে পার্শ্ববর্তী সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম মধ্যপাড়া মোবারক হোসেনের কন্যা মুন্নী আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কামরুলের বিয়ে ঠিক হয়। শুক্রবার বিকেলে সুসজ্জিত হেলিকপ্টারে চড়ে কনে মুন্নী আক্তারকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন বর কামরুল। এমন অভিনব ও রাজকীয় আয়োজনে বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান স্থানীয় গ্রামবাসী। সৌখিন এই বাবার এমন কাণ্ডে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। হেল

হেলিকপ্টারে ছেলের বউ বাড়িতে আনলেন বাবা  

ছেলে যদি কখনো প্রেম না করে, তবে ধুমধাম করে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে বিয়ের আয়োজন করবেন। এমনই এক অদ্ভুত পণ করেছিলেন মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার উত্তরতরা গ্রামের হোসেন আলী। আর যেমন কথা, তেমনই কাজ! শর্ত হুবহু মেনে চলায় এবার হেলিকপ্টারে চেপেই ছেলের বৌকে ঘরে তুললেন হোসেন আলী।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে ঘিওর উপজেলার উত্তর তরা গ্রামে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে।

জানা যায়, ঘিওর উপজেলার উত্তরতরা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে কামরুল হাসান কখনো কোনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি। সবসময় ভদ্র ও মার্জিতভাবে চলাফেরা করেছেন। বাবার প্রতিশ্রুতি ছিল ছেলে যদি প্রেম না করে নিজের চরিত্র ও ভদ্রতা বজায় রাখে, তবে তাকে রাজকীয়ভাবে হেলিকপ্টারে বর সাজিয়ে বউ আনতে পাঠাবেন।

অবশেষে পার্শ্ববর্তী সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম মধ্যপাড়া মোবারক হোসেনের কন্যা মুন্নী আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কামরুলের বিয়ে ঠিক হয়।

শুক্রবার বিকেলে সুসজ্জিত হেলিকপ্টারে চড়ে কনে মুন্নী আক্তারকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন বর কামরুল। এমন অভিনব ও রাজকীয় আয়োজনে বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান স্থানীয় গ্রামবাসী। সৌখিন এই বাবার এমন কাণ্ডে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

হেলিকপ্টারের বিয়ে দেখতে আসা এক দর্শনার্থী মো. সজিব মিয়া জানান, এটি শুধু একটি বাবার কথা রাখা নয়। সত্যিকার অর্থেই প্রত্যেক ছেলেকে বাজে আড্ডা, বাজে নেশা ছেড়ে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলা উচিত। এটি তার একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। আমাদের অনেক ভালো লেগেছে এলাকায় এই প্রথম হেলিকপ্টারে বিয়ে করেছে। অনেক আনন্দ পেয়েছি।

এ বিষয়ে বরের বাবা হোসেন আলী এক অনুভূতিতে বলেন, আমার কথা আমি রেখেছি। ছেলে আমার কথা শুনেছে, ভদ্রভাবে চলেছে, কোনো প্রেমে জড়ায়নি। তাই নিজের শখ ও কথা রাখতেই হেলিকপ্টার ভাড়া করে ছেলের বউকে বাড়িতে নিয়ে এলাম। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow