‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় না হলে নাগরিক হিসেবে আমরা ঠকে যাবো

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট এবং বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমরা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত না করতে পারি তাহলে ক্যানসার হয়ে যাবে। শুধু পালিয়ে যাওয়ার শক্তি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলই গণভোটে হ্যাঁ চায়। হ্যাঁ ভোট জয় না হলে নাগরিক হিসেবে আমরা ঠকে যাব। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেন, আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত তিনটি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল। আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কি না তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধি

‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় না হলে নাগরিক হিসেবে আমরা ঠকে যাবো

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট এবং বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমরা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত না করতে পারি তাহলে ক্যানসার হয়ে যাবে। শুধু পালিয়ে যাওয়ার শক্তি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলই গণভোটে হ্যাঁ চায়। হ্যাঁ ভোট জয় না হলে নাগরিক হিসেবে আমরা ঠকে যাব।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেন, আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত তিনটি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল। আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কি না তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধিকাংশ স্থল বন্দরের কোনো দরকার ছিল না। এসবের কোনো কার্যকারিতাও নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করে ফেলেছে। শেখ হাসিনা অসম্ভব রকম দুর্বৃত্তায়ন করেছেন।

‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় না হলে নাগরিক হিসেবে আমরা ঠকে যাবো

তিনি আরও বলেন, আমার অসম্ভব প্রিয় সিনেমা হীরক রাজার দেশ। হীরক রাজার দেশে যন্ত্র মন্ত্রের ভয় ছিল। কিন্তু হাসিনার যন্ত্র মন্ত্রের ভয় কিছুই হয়নি। যারা এই দেশ প্রেমিক ছিলেন, তাদের শেখ হাসিনার দ্বারা হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে। তাদের পরিবারের ওপর জলুম নির্যাতন চালানো হয়েছে। ১৪০০ লোক মারা গেছেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি এত টাকা খরচ না করে পদ্মা সেতু না বানিয়ে ইরিগেশনে ব্যয় করতেন, তাহলে অর্থনীতির জন্য এরকম টিউমার হতো না। শেখ হাসিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানো। ব্যয় করে আয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানোর মতো চিন্তা তার মাথায় কখনোই ছিল না। তাই শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সমুন্নত রাখা।

এর আগে তিনি বিকেলে সদর উপজেলার হিরণপুর গ্রামে উঠান বৈঠকে যোগ দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই উঠান বৈঠকের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

এইচ এম কামাল/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow