১৪ বছর পর বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পাকিস্তানে নামলো বিমান

দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাকিস্তানে নামলো বাংলাদেশি ফ্লাইট। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ বিমানের ‘বিইজি৩৪১’ নামের ফ্লাইটটি করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। চলতি মাসের শুরুর দিকেই জানানো হয়েছিল যে দুই দেশ ফের সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ) এক বিবৃতিতে জানায়, ১৪ বছর পর করাচিতে আসা বাংলাদেশি বিমানকে অবতরণের সময় ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দেওয়া হয়। সংস্থাটি এই ফ্লাইটকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘একটি নতুন অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করেছে। ফ্লাইটরাডার২৪- এর তথ্য অনুযায়ী, বিমানের বিইজি৩৪১ ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩ মিনিটে করাচিতে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে এসেছিল। এদিকে, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর কামরান তেসরি বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সহযোগিতা শুধু উড়োজাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং অন্যান্য খাতেও সম্প্রসারিত হবে। এর আগে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘পূর্ণ আসন’ নিয়ে উদ্বোধনী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন

১৪ বছর পর বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পাকিস্তানে নামলো বিমান

দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাকিস্তানে নামলো বাংলাদেশি ফ্লাইট। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ বিমানের ‘বিইজি৩৪১’ নামের ফ্লাইটটি করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। চলতি মাসের শুরুর দিকেই জানানো হয়েছিল যে দুই দেশ ফের সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে।

পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ) এক বিবৃতিতে জানায়, ১৪ বছর পর করাচিতে আসা বাংলাদেশি বিমানকে অবতরণের সময় ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দেওয়া হয়। সংস্থাটি এই ফ্লাইটকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘একটি নতুন অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করেছে।

ফ্লাইটরাডার২৪- এর তথ্য অনুযায়ী, বিমানের বিইজি৩৪১ ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩ মিনিটে করাচিতে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে এসেছিল।

এদিকে, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর কামরান তেসরি বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সহযোগিতা শুধু উড়োজাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং অন্যান্য খাতেও সম্প্রসারিত হবে।

এর আগে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘পূর্ণ আসন’ নিয়ে উদ্বোধনী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছে।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন, ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উদ্বোধনী ফ্লাইটকে বিদায় জানান।

ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়, ১৪ বছর পর সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া সংযোগ বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন উপদেষ্টা ঢাকা-করাচি রুটের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই রুট সংযোগ বাড়ানো, পর্যটন উন্নয়ন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে সহায়ক হবে।

বিবৃতিতে শেখ বশিরউদ্দীনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান ধীরে ধীরে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াবে ও ভাড়া কমাবে, যাতে মানুষের ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানে ভ্রমণ করবে এবং দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যময় খাবার উপভোগ করবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্বোধনী ফ্লাইটের যাত্রীরা দুই দেশের মধ্যে ফের সরাসরি আকাশ যোগাযোগ চালু হওয়ায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: ডন

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow