২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার যানবাহন পারাপার, টোল সোয়া ৩ কোটি টাকা

রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। শেষ মুহূর্তেও প্রিয়জনের টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকারও বেশি। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৩ হাজার ৭১৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ৩১ হাজার ৮৯৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ২ কোটি ২০ লাখ ২৫ হাজার ২শ\' টাকা। এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি৷ ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কম্পিউটা

২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার যানবাহন পারাপার, টোল সোয়া ৩ কোটি টাকা

রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। শেষ মুহূর্তেও প্রিয়জনের টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকারও বেশি।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৩ হাজার ৭১৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ৩১ হাজার ৮৯৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ২ কোটি ২০ লাখ ২৫ হাজার ২শ' টাকা।

এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি৷

১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ কর্পোরেশন টোল আদায় করছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow