দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ অপেশাদার করপোরেট ৫-এ-সাইড ফুটবল টুর্নামেন্ট অ্যাসেন্ট কর্পোরেট কাপের ১৯তম আসর শুরু হচ্ছে আগামী ২ জুলাই। স্কলাস্টিকা উত্তরা ক্যাম্পাসে এই টুর্নামেন্ট হবে।
২০০৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশের অপেশাদার ফুটবল অঙ্গনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসরে পরিণত হয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর দল এবং ফুটসলপ্রেমীরা প্রতি বছর মিলিত হন।
২০০৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিযোগিতাটি দেশের অপেশাদার কর্পোরেট ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসরে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দল এবং ফুটসলপ্রেমীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
২০০৮ সাল থেকে অ্যাসেন্ট গ্রুপ প্রতিযোগিতাটির শিরোনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্ত রয়েছে। শিক্ষা, প্রকাশনা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাসেন্ট গ্রুপ কর্পোরেট ফুটসলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতিযোগিতার মান ও অংশগ্রহণ বাড়ায় ২০২৪ সাল থেকে এটি দুটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী দলগুলোর জন্য রয়েছে প্রিমিয়ার বিভাগ, আর নতুন ও বিকাশমান দলগুলোর জন্য চ্যাম্পিয়নশিপ বিভাগ।
এবারের আসরে শিরোনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে অ্যাসেন্ট গ্রুপ। সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে তুরাগ অ্যাকটিভ ও সিকিউরেক্স। সহযোগী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে এমকে এন্টারপ্রাইজেস, পোলার আইসক্রিম, ইন্টারপোর্ট গ্রুপ ও বিগি ইন্টারঅ্যাকটিভ। উপহার সহযোগী গোল্ড কিনেন, সংবাদ সহযোগী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বেতারবিহীন ইন্টারনেট সহযোগী আমরা নেটওয়ার্কস এবং পানীয় সহযোগী এসএমসি প্লাস।
প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণ ‘অ্যাসেন্ট লেগ্যাসি ম্যাচ’, যা চ্যাম্পিয়নশিপ বিভাগের ফাইনালের আগে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রদর্শনী ম্যাচের মাধ্যমে প্রতি বছর ফুটবলকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সমতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারকারী বিভিন্ন উদ্যোগকে সম্মান জানানো হয়। অতীতে এই আয়োজনের অংশীদার ছিল জাগো ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ হুইলচেয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং পাওয়ার অব শি।
এবার ‘অ্যাসেন্ট লেগ্যাসি ম্যাচ’-এর অংশীদার থ্রাইভ। ঢাকার সুবিধাবঞ্চিত এলাকার বিদ্যালয়গুলোর মেধাবী ও সম্ভাবনাময় কিশোর ফুটবলারদের নিয়ে ৩০ মিনিটের একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এতে দুটি দল অংশ নেবে।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মূল বার্তা হলো—দারিদ্র্য নয়, সম্ভাবনা; দান নয়, সুযোগ। অংশগ্রহণকারী অনেক শিশুর জন্য এটিই হবে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর ফুটসল মাঠে প্রথম খেলার অভিজ্ঞতা। তারা প্রতিযোগিতার অন্য খেলোয়াড়দের মতো একই মাঠে, একই পরিবেশে খেলবে এবং সমানভাবে সম্মাননা ও পদক লাভ করবে।
আয়োজকদের ভাষ্য, অ্যাসেন্ট কর্পোরেট কাপ বিশ্বাস করে—ফুটবল মাঠে কোনো পদমর্যাদা, বিশেষ সুবিধা কিংবা বৈষম্যের স্থান নেই; সেখানে মূল্যায়ন হয় শুধু প্রতিভা, সম্মান ও সমান সুযোগের।