৩০০ দিনে ১৭ হাজার কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে মেসিদের কাছে পৌঁছালেন তারা
খেলাধুলায় প্রিয় দল ও তারকাদের এক নজর দেখতে কত পাগলামিই না করে ভক্তরা। তেমনই এক কাজ করেছেন তিন আর্জেন্টাইন সমর্থক। প্রায় ৩০০ দিনে ১৭ হাজার কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে পৌঁছে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে। যে শহরে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা দলের বেসক্যাম্প। গত বছরের আগস্টে আর্জেন্টিনার মিগুয়েল সিলিও, ভিসেন্ট কনসুলিনি এবং ইয়ামান্দু মার্তিনেজ গত বছরের আগস্টে আর্জেন্টিনার গুয়ালেগুয়েচু থেকে যাত্রা শুরু করেন। তখন বিশ্বকাপের ড্রও অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে আর্জেন্টিনা কোথায় খেলবে সেটিও জানা ছিল না কারোই। এরপরও তারা রওনা হন উত্তর আমেরিকার উদ্দেশে। কানসাসে পৌঁছানোর আগে পাড়ি দেন ১৭টি দেশ। সেখানে পৌঁছে তারা আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান। সাক্ষাতের পর ক্লদিও তাপিয়া ইনস্টাগ্রামে সেই তিন সমর্থকদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আবেগ ও ভালোবাসার কোনো সীমা নেই, আর এই তিন সাইকেল আরোহী তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।’ দীর্ঘ এই ভ্রমণের পথে তারা আরেক আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি মানু জিনোবিলির সঙ্গেও দেখা করেন। সামাজিক যো
খেলাধুলায় প্রিয় দল ও তারকাদের এক নজর দেখতে কত পাগলামিই না করে ভক্তরা। তেমনই এক কাজ করেছেন তিন আর্জেন্টাইন সমর্থক। প্রায় ৩০০ দিনে ১৭ হাজার কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে পৌঁছে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে। যে শহরে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা দলের বেসক্যাম্প।
গত বছরের আগস্টে আর্জেন্টিনার মিগুয়েল সিলিও, ভিসেন্ট কনসুলিনি এবং ইয়ামান্দু মার্তিনেজ গত বছরের আগস্টে আর্জেন্টিনার গুয়ালেগুয়েচু থেকে যাত্রা শুরু করেন। তখন বিশ্বকাপের ড্রও অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে আর্জেন্টিনা কোথায় খেলবে সেটিও জানা ছিল না কারোই। এরপরও তারা রওনা হন উত্তর আমেরিকার উদ্দেশে। কানসাসে পৌঁছানোর আগে পাড়ি দেন ১৭টি দেশ।
সেখানে পৌঁছে তারা আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
সাক্ষাতের পর ক্লদিও তাপিয়া ইনস্টাগ্রামে সেই তিন সমর্থকদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আবেগ ও ভালোবাসার কোনো সীমা নেই, আর এই তিন সাইকেল আরোহী তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।’
দীর্ঘ এই ভ্রমণের পথে তারা আরেক আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি মানু জিনোবিলির সঙ্গেও দেখা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগের পর তারা সান অ্যান্তোনিওতে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং একসঙ্গে কফি ও মাতে পান করেন।
তবে এই যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না। ইকুয়েডরের কারাগার দাঙ্গা ও সহিংসতার মধ্যে পড়েন। কলম্বিয়াতে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার সময় কাছাকাছি এলাকা অতিক্রম করতে হয় তাদের।
তবে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। সেটি হলো- বিশ্বকাপের টিকিট সংগ্রহ করা। ফিফার অফিসিয়াল সেলে পাঁচবার চেষ্টা করেও তারা টিকিট পাননি। তবুও তাদের আশা, যেকোনো উপায়ে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
আইএন
What's Your Reaction?