৩৫০ দিন পর জয়ের দেখা পেল কেকেআর
২০২৫ সালের ৪ মে মাসের পর ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল। মাঝে কেটে গেল ৩৫০ দিন। আর এই ৩৫০ দিন পর আইপিএলে জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আজ রোববার ইডেনে ঘরের মাঠে খেলতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে চলতি মৌসুমে প্রথম জয়ের দেখা পেল তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। শুধু তাই নয়? এই ম্যাচ জিতে আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়েও টিকে রইল নাইটরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালস ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫৫ রান। ভালো শুরু করলে রাজস্থান রয়্যালস ওপেনিং জুটিতে তোলে ৮১ রান। ২৮ বলে বৈভব সূর্যবংশী করে ৪৬ রান। তার বিধ্বংসী ব্যাটিং রুখে দেন বরুণ চক্রবর্তী। স্লোয়ার বল বাইরের দিকে করে তিনি আটকে দেন বৈভবকে। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালের ব্যাটও চলেনি। তিনি ২৯ বলে করেন ৩৯ রান। ব্যর্থ হন ধ্রুব জুরেল, ৭ বলে পাঁচ রান করে আউট হন তিনি। বরুণ চক্রবর্তীকে রিভার্স স্যুইপ মারতে গিয়ে তিনি মিস হিট করেন এবং টিম শেইফার্ট অনবদ্য দক্ষতায় স্টাম্পিং করেন। এর পর এক এক করে ফিরতে থাকেন রিয়ান পরাগ (১২), শিমরন হেটমায়ার (১৫), রবীন্দ্র জাদেজা (৯)। রাজস্থানকে কম রানে আটকে দেওয়ার নেপথ্যে কেকেআরের বোলাররা। আর এখানে দুর্দান্ত বোলিং করেন বর
২০২৫ সালের ৪ মে মাসের পর ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল। মাঝে কেটে গেল ৩৫০ দিন। আর এই ৩৫০ দিন পর আইপিএলে জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আজ রোববার ইডেনে ঘরের মাঠে খেলতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে চলতি মৌসুমে প্রথম জয়ের দেখা পেল তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। শুধু তাই নয়? এই ম্যাচ জিতে আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়েও টিকে রইল নাইটরা।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালস ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫৫ রান। ভালো শুরু করলে রাজস্থান রয়্যালস ওপেনিং জুটিতে তোলে ৮১ রান। ২৮ বলে বৈভব সূর্যবংশী করে ৪৬ রান। তার বিধ্বংসী ব্যাটিং রুখে দেন বরুণ চক্রবর্তী। স্লোয়ার বল বাইরের দিকে করে তিনি আটকে দেন বৈভবকে।
এরপর যশস্বী জয়সওয়ালের ব্যাটও চলেনি। তিনি ২৯ বলে করেন ৩৯ রান। ব্যর্থ হন ধ্রুব জুরেল, ৭ বলে পাঁচ রান করে আউট হন তিনি। বরুণ চক্রবর্তীকে রিভার্স স্যুইপ মারতে গিয়ে তিনি মিস হিট করেন এবং টিম শেইফার্ট অনবদ্য দক্ষতায় স্টাম্পিং করেন। এর পর এক এক করে ফিরতে থাকেন রিয়ান পরাগ (১২), শিমরন হেটমায়ার (১৫), রবীন্দ্র জাদেজা (৯)।
রাজস্থানকে কম রানে আটকে দেওয়ার নেপথ্যে কেকেআরের বোলাররা। আর এখানে দুর্দান্ত বোলিং করেন বরুণ চক্রবর্তী, কার্তিক ত্যাগী ও সুনীল নারাইন। তবে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি হচ্ছে বরুণের বোলিং। তিনি গত ম্যাচে দুই উইকেটের পর এই ম্যাচে পেলেন তিন উইকেট। ৪ ওভারে তিনি মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। অন্যদিকে প্রতিটা ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ভালো বোলিং করেন সুনীল নারাইন। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন। কেকেআরকে স্বস্তি দিয়েছে কার্তিক ত্যাগীর বোলিং। কেকেআরে যোগ দিয়ে তিনি নিজেকে অন্য রূপে তুলে ধরেন। ৪ ওভারে দেন মাত্র ২২ রান।
গত ম্যাচে বল না করা ক্যামেরন গ্রিন এই ম্যাচে ২ ওভার বল করে দেন ২৭ রান।
What's Your Reaction?