৫৯ বছর বয়সেও ‘কিং কাজু’র পা থেকে গোল

বয়স কেবলই একটি সংখ্যা, এ কথার জীবন্ত উদাহরণ কাজুইউশি মিউরা। ৫৯ বছর বয়সেও পেশাদার ফুটবলে দাপটের সঙ্গে খেলে যাচ্ছেন জাপানের এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। যে বয়সে সাবেক হয়ে কোচের ভূমিকায় থাকেন একজন খেলোয়াড়। সেই বয়সে এখনও এখনও মাঠ মাতিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এবার চার বছর পর আবারও অফিসিয়াল ম্যাচে গোল করে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ করলেন নতুন এক অধ্যায়। জাপানের তৃতীয় বিভাগের ক্লাব ফুকুশিমা ইউনাইটেডের হয়ে ৭-০ গোলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মিউরা। খেলেছেন ম্যাচের শুরু থেকেই। দলের পঞ্চম গোলটি আসে তার দুর্দান্ত এক ভলি থেকে। অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় এটি ছিল মিউরার চার বছর পর প্রথম গোল। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে অ্যাটলেটিকো সুজুকার জার্সিতে গোল করেছিলেন তিনি। আগামী বছর ৬০ বছরে পা দিতে যাওয়া মিউরার সঙ্গে ফুকুশিমা ইউনাইটেডের চুক্তির মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। ফলে আরও অন্তত এক মৌসুম পেশাদার ফুটবলে দেখা যাবে ‘কিং কাজু’কে। জাপানি ফুটবলের অন্যতম পথিকৃৎ মিউরাই প্রথম জাপানি ফুটবলার হিসেবে ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি ‘আ’-তে খেলেছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দিনামো জাগরেব, কিয়োটো সাঙ্গা, ভিসেল কোবে

৫৯ বছর বয়সেও ‘কিং কাজু’র পা থেকে গোল

বয়স কেবলই একটি সংখ্যা, এ কথার জীবন্ত উদাহরণ কাজুইউশি মিউরা। ৫৯ বছর বয়সেও পেশাদার ফুটবলে দাপটের সঙ্গে খেলে যাচ্ছেন জাপানের এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। যে বয়সে সাবেক হয়ে কোচের ভূমিকায় থাকেন একজন খেলোয়াড়। সেই বয়সে এখনও এখনও মাঠ মাতিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এবার চার বছর পর আবারও অফিসিয়াল ম্যাচে গোল করে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ করলেন নতুন এক অধ্যায়।

জাপানের তৃতীয় বিভাগের ক্লাব ফুকুশিমা ইউনাইটেডের হয়ে ৭-০ গোলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মিউরা। খেলেছেন ম্যাচের শুরু থেকেই। দলের পঞ্চম গোলটি আসে তার দুর্দান্ত এক ভলি থেকে।

অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় এটি ছিল মিউরার চার বছর পর প্রথম গোল। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে অ্যাটলেটিকো সুজুকার জার্সিতে গোল করেছিলেন তিনি।

আগামী বছর ৬০ বছরে পা দিতে যাওয়া মিউরার সঙ্গে ফুকুশিমা ইউনাইটেডের চুক্তির মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। ফলে আরও অন্তত এক মৌসুম পেশাদার ফুটবলে দেখা যাবে ‘কিং কাজু’কে।

জাপানি ফুটবলের অন্যতম পথিকৃৎ মিউরাই প্রথম জাপানি ফুটবলার হিসেবে ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি ‘আ’-তে খেলেছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দিনামো জাগরেব, কিয়োটো সাঙ্গা, ভিসেল কোবে ও সিডনি এফসিসহ একাধিক ক্লাবের জার্সি গায়ে তুলেছেন।

ছয় দশকের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও গোল করে প্রমাণ করে চলেছেন, ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা এবং লড়াইয়ের মানসিকতা এখনো একটুও কমেনি। ‘কিং কাজু’ তাই এখনও জাপানের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী নামগুলোর একটি।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow