৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ, রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

ভোলায় ৬০ বয়সী এক বৃদ্ধাকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালের দিকে ভুক্তভোগী নারীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা। এর আগে শনিবার (২০ জুুন) রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তর নাম সজিব তেলি (২৪)। তিনি ভোলা পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিখোলা এলাকার সুমঙ্গলের ছেলে। ভুক্তভোগী সম্পর্কে তার তালই। ভুক্তভোগী ও প্রতিবেশীরা জানান, ভুক্তভোগীর ছেলে একজন প্রবাসী। কয়েক বছর আগে তিনি শ্বশুরবাড়ির পাশে জমিসহ বসতঘর কেনেন। পরে তিনি প্রবাসে চলে যান। এরপর থেকে ওই বাড়িতে তার মা ও স্ত্রী থাকতেন। মাঝে মধ্যে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন প্রবাসীর শ্যালক অভিযুক্ত সজিব তেলি। শনিবার রাতেও তিনি ওই বাড়িতে এসে থেকে যান। পরে তার বোন ঘুমিয়ে পড়লে সজিব মাউইকে রাতভর ধর্ষণ করেন। এতে ভুক্তভোগীর রক্তক্ষরণ হলে ভোরের দিকে পালিয়ে যান সজিব। সকালের দিকে ওই নারীর পুত্রবধূ ঘটনা ধামাচাপা দিতে পার্শ্ববর্তী বাড়ির এক নার্সকে ডেকে এনে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। তবে রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে বলেন ওই নার্স। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা ৮টার দিকে ভুক্তভোগীকে ভোলা ২৫০

৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ, রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

ভোলায় ৬০ বয়সী এক বৃদ্ধাকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকালের দিকে ভুক্তভোগী নারীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা। এর আগে শনিবার (২০ জুুন) রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তর নাম সজিব তেলি (২৪)। তিনি ভোলা পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিখোলা এলাকার সুমঙ্গলের ছেলে। ভুক্তভোগী সম্পর্কে তার তালই।

ভুক্তভোগী ও প্রতিবেশীরা জানান, ভুক্তভোগীর ছেলে একজন প্রবাসী। কয়েক বছর আগে তিনি শ্বশুরবাড়ির পাশে জমিসহ বসতঘর কেনেন। পরে তিনি প্রবাসে চলে যান। এরপর থেকে ওই বাড়িতে তার মা ও স্ত্রী থাকতেন। মাঝে মধ্যে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন প্রবাসীর শ্যালক অভিযুক্ত সজিব তেলি। শনিবার রাতেও তিনি ওই বাড়িতে এসে থেকে যান। পরে তার বোন ঘুমিয়ে পড়লে সজিব মাউইকে রাতভর ধর্ষণ করেন। এতে ভুক্তভোগীর রক্তক্ষরণ হলে ভোরের দিকে পালিয়ে যান সজিব।

সকালের দিকে ওই নারীর পুত্রবধূ ঘটনা ধামাচাপা দিতে পার্শ্ববর্তী বাড়ির এক নার্সকে ডেকে এনে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। তবে রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে বলেন ওই নার্স। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা ৮টার দিকে ভুক্তভোগীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‌‘আমরা ওই নারীর পরীক্ষা করেছি। বর্তমানে তার রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে।’

এ বিষয়ে ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow