৬০ মণ ওজনের কালু-ধলু গরু কিনলে মিলবে ছাগল উপহার

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম খাউলিয়া গ্রামের ‘কালু ’ জেলার সবচেয়ে বড় গরু দাবি করেছেন খামারের মালিক তাজুল ইসলাম। আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আযহায় ৩৫-৪০ মন ওজনের গরু ‘ কালু’-এর দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লক্ষ টাকা ও ২০-২৫ মন ওজনের 'ধলু ' এর দাম চেয়েছেন ১০ লক্ষ টাকা। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে ব্যক্তি গরু দুটি ক্রয় করবেন, তাকে দুটি ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া ইউনিয়নে তাজু ডেইরী ফার্মে গাভী ও ষাঁড় পালন হয়ে থাকে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দুটি বড় আকারের ষাঁড় পালন করা হয়েছে ফার্মে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই কালু,ধলুকে দেখতে বাড়িতে আসছে,কেউ ছবি করছেন,কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফার্মের মালিক তাজুল ইসলামের জীবনে এতো বড় ষাঁড় এটিই প্রথম বলে তিনি জানান। তিনি বলেন আশা করি নায্য মূল্যে বিক্রয় করতে পারবো। দেশের বিভিন্ন এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এসে দরদাম করছে। ৭ ফুট লম্বা কালো,সাদা বর্নের ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির নাম কালু হলেও চলনে বলনে শান্ত স্বভাবের বলে জানান তাজু। সম্পুর্ন দেশীয় পদ্ধতিতে লালন -পালন করা হয়েছে গরু দুটিকে।দেশীয় কুড়া, ভুসি, কাঁচা

৬০ মণ ওজনের কালু-ধলু গরু কিনলে মিলবে ছাগল উপহার

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম খাউলিয়া গ্রামের ‘কালু ’ জেলার সবচেয়ে বড় গরু দাবি করেছেন খামারের মালিক তাজুল ইসলাম। আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আযহায় ৩৫-৪০ মন ওজনের গরু ‘ কালু’-এর দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লক্ষ টাকা ও ২০-২৫ মন ওজনের 'ধলু ' এর দাম চেয়েছেন ১০ লক্ষ টাকা। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে ব্যক্তি গরু দুটি ক্রয় করবেন, তাকে দুটি ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া ইউনিয়নে তাজু ডেইরী ফার্মে গাভী ও ষাঁড় পালন হয়ে থাকে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দুটি বড় আকারের ষাঁড় পালন করা হয়েছে ফার্মে।

প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই কালু,ধলুকে দেখতে বাড়িতে আসছে,কেউ ছবি করছেন,কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফার্মের মালিক তাজুল ইসলামের জীবনে এতো বড় ষাঁড় এটিই প্রথম বলে তিনি জানান। তিনি বলেন আশা করি নায্য মূল্যে বিক্রয় করতে পারবো। দেশের বিভিন্ন এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এসে দরদাম করছে।

৭ ফুট লম্বা কালো,সাদা বর্নের ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির নাম কালু হলেও চলনে বলনে শান্ত স্বভাবের বলে জানান তাজু। সম্পুর্ন দেশীয় পদ্ধতিতে লালন -পালন করা হয়েছে গরু দুটিকে।দেশীয় কুড়া, ভুসি, কাঁচা ঘাস খাওয়ানো হয়, কোনো ধরনের হাইব্রিড খাবার দেওয়া হয় না।

তাজু আরও বলেন, খুব ভোরবেলা উঠে গরুর জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। এর পর নিয়ম মেনে খাবার দেওয়া, গোসল করানো হয়ে থাকে।

আমাদের মূল পেশা হচ্ছে গাভী পালন। প্রতিদিন গাভী থেকে দুধ বিক্রি হয়। তবে প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে ষাঁড় পালন করা হয়। এবারের ষাঁড় ‘কালু’ বাগেরহাট জেলার সবচেয়ে বড় গরু হতে পারে। ২৮-২৯ মাস ধরে নিজের মত করে গরুটিকে লালন- পালন করেছি, ইনশাআল্লাহ নায্য মূল্য পাব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow