অজিদের ৪ উইকেট শিকার করে লাঞ্চ করতে গেল টাইগাররা
ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট শিকার করে শুভ সূচনা করেছে টাইগাররা। ম্যাচের শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া অজিদের উদ্ধার করতে কাউন্টার অ্যাটাক বেছে নেন ক্যামেরুন গ্রিন। তবে তার আক্রমণাত্মক মনোভাবের সুযোগ নিতে শর্ট বলের ফাঁদ পাতে বাংলাদেশ। তাতেই কুপোকাত অজি ব্যাটার। তাসকিনের বল অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। সাজঘরে ফেরার আগে ১৩ বলে ১৩ রান করেন এই ব্যাটার। এই পরই লাঞ্চ বিরতি দেন আম্পায়ার। ২২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান। ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের বাড়তি সুবিধা কাজে লাগান তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। বিশেষ করে হাসান দুর্দান্ত ছিলেন। দুই দিকেই সুইংয়ের সঙ্গে বাড়তি বাউন্সও আদায় করে নেন এই পেসার। তার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন ট্রাভিস হেড। তবে বল পড়ে নিরাপদ জায়গায়। ফলে সেই যাত্রায় বেঁচে যান এই ওপেনার। নিয়মিত লাইন-লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করার পুরস্কার পেতে কিছুটা সময় লেগেছে বাংলাদেশের। প্রথম ব্রেকথ্রু পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১২তম ওভার পর্যন্ত। চতুর্থ বলটি অফ স্ট্যাম্পের বাইরে করেন হাসান। স
ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট শিকার করে শুভ সূচনা করেছে টাইগাররা। ম্যাচের শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া অজিদের উদ্ধার করতে কাউন্টার অ্যাটাক বেছে নেন ক্যামেরুন গ্রিন। তবে তার আক্রমণাত্মক মনোভাবের সুযোগ নিতে শর্ট বলের ফাঁদ পাতে বাংলাদেশ।
তাতেই কুপোকাত অজি ব্যাটার। তাসকিনের বল অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। সাজঘরে ফেরার আগে ১৩ বলে ১৩ রান করেন এই ব্যাটার। এই পরই লাঞ্চ বিরতি দেন আম্পায়ার। ২২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান।
ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের বাড়তি সুবিধা কাজে লাগান তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। বিশেষ করে হাসান দুর্দান্ত ছিলেন। দুই দিকেই সুইংয়ের সঙ্গে বাড়তি বাউন্সও আদায় করে নেন এই পেসার। তার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন ট্রাভিস হেড। তবে বল পড়ে নিরাপদ জায়গায়। ফলে সেই যাত্রায় বেঁচে যান এই ওপেনার।
নিয়মিত লাইন-লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করার পুরস্কার পেতে কিছুটা সময় লেগেছে বাংলাদেশের। প্রথম ব্রেকথ্রু পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১২তম ওভার পর্যন্ত। চতুর্থ বলটি অফ স্ট্যাম্পের বাইরে করেন হাসান। সেখানে ড্রাইভ করতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটকিপার লিটনের গ্লাভসে জমা পড়ে বল। ২৩ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের ফিরতি ওভারে আবারো আঘাত হানেন হাসান। এবার তার শিকার আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেড। ১৪তম ওভারে চতুর্থ বলে গুড লেংথ থেকে ইন সুইং করা বল ব্যাটের ভেতরের দিকের কানায় লেগে স্ট্যাম্পে আঘাত হানে। ফেরার আগে হেড করেন ২২ রান।
১৭তম ওভারে এবাদত হোসেনের বলে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ। তৃতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা তানজিদ তামিম সেটা রাখতে পারেননি। জায়গায় দাঁড়িয়েও বল হাতে জমাতে না পারায় মাথায় হাত দেয় পুরো বাংলাদেশ। তবে নিজের প্রথম শিকার ধরতে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি এবাদতকে। ফিরতি ওভারেই মার্নাস ল্যাবুশেনকে ফেরান এই পেসার।
১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলটি অফ স্ট্যাম্পের সামান্য বাইরে গুড লেংথে করেছিলেন এবাদত। সেখানে জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে আউট সাইড এজে বল যায় দ্বিতীয় স্লিপে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত আর কোনো ভুল করেননি। ২০ বল খেলে মাত্র এক রান করতে পেরেছেন ল্যাবুশেন।
What's Your Reaction?