মোজাফফরের ফেসবুক-মেসেঞ্জারের তথ্য চেয়ে মেটার কাছে প্রসিকিউশনের চিঠি

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের তথ্য চেয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তার মুছে ফেলা ফেসবুক কথোপকথন উদ্ধারের জন্যও তথ্য চাওয়া হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মোজাফফর হোসেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সরাসরি মেসেঞ্জারে যোগাযোগ রাখতেন। এ ছাড়া তিনি কয়েকটি গ্রুপের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ করতেন। এসব তথ্য যাচাই করতে মেটার কাছে ই-মেইলে তথ্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার মুছে ফেলা ফেসবুক কথোপকথন উদ্ধারেও মেটার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৬ জুলাই মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ২৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাই

মোজাফফরের ফেসবুক-মেসেঞ্জারের তথ্য চেয়ে মেটার কাছে প্রসিকিউশনের চিঠি

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের তথ্য চেয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তার মুছে ফেলা ফেসবুক কথোপকথন উদ্ধারের জন্যও তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মোজাফফর হোসেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সরাসরি মেসেঞ্জারে যোগাযোগ রাখতেন। এ ছাড়া তিনি কয়েকটি গ্রুপের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ করতেন। এসব তথ্য যাচাই করতে মেটার কাছে ই-মেইলে তথ্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার মুছে ফেলা ফেসবুক কথোপকথন উদ্ধারেও মেটার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৬ জুলাই মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এরপর ২৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এখনো তদন্ত সংস্থা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। ট্রাইব্যুনাল তাকে সেনা হেফাজতে রাখারও নির্দেশ দেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাসুদ উদ্দিন ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন এবং বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে হেফাজতে রয়েছেন। একই মামলায় মোজাফফরকেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটরের দাবি, গত ১৬ বছর ধরে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন মোজাফফর হোসেন। পলাতক অবস্থায় তিনি একাধিকবার প্রতিবেশী দেশে যাতায়াত করেন এবং মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগেও মাসুদ উদ্দিনের নাম উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow