অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুই ছাত্রী খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র, দেওয়া হলো না পরীক্ষা
নোয়াখালীর মাইজদীতে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে অজ্ঞান পার্টি চক্রের খপ্পরে পড়ে স্বর্ণালংকার ও পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। এ ঘটনার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি ওই দুই পরীক্ষার্থী। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাইজদী পৌরবাজারের দক্ষিণে মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে সোনাপুর-চৌমুহনীর প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন- জান্নাতুল নাঈমা (১৯) ও ফাহিমা আক্তার শশী (১৯)। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, নাঈমা ও ফাহিমা একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তারা উভয়ই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবারের চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ। শনিবার সকালে তারা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সোনাপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠেন। অটোরিকশাটি মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছালে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে তাদের অচেতন করে ফেলে। পরে তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার এবং সঙ্গে থাকা পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সিএনজিচালক দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় রেখে চলে
নোয়াখালীর মাইজদীতে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে অজ্ঞান পার্টি চক্রের খপ্পরে পড়ে স্বর্ণালংকার ও পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। এ ঘটনার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি ওই দুই পরীক্ষার্থী।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাইজদী পৌরবাজারের দক্ষিণে মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে সোনাপুর-চৌমুহনীর প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা হলেন- জান্নাতুল নাঈমা (১৯) ও ফাহিমা আক্তার শশী (১৯)।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, নাঈমা ও ফাহিমা একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তারা উভয়ই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবারের চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ। শনিবার সকালে তারা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সোনাপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠেন। অটোরিকশাটি মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছালে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে তাদের অচেতন করে ফেলে। পরে তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার এবং সঙ্গে থাকা পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে সিএনজিচালক দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় রেখে চলে যান। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দিলে নিকটতম আত্মীয় স্বজন এসে তাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার কারণে তারা আজকের নির্ধারিত বিষয়ের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষার্থীদের স্বজনরা এখনও লিখিতভাবে পুলিশকে বিষয়টি জানাননি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?