অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল-লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

মৌলভীবাজারে এক সপ্তাহ ধরে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয় হচ্ছে। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগও উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, জুন ও জুলাই মাসে সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ বিল এসেছে। বিভিন্ন কলকারখানা ব্যবসায়ীরা জানান, দ্রুত সময়ে লোডশেডিং কমিয়ে না আনলে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ব্যাহত হবে। হঠাৎ একসপ্তাহ ধরে তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং অন্যদিকে অতিরিক্ত বিল। সবমিলিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলছে, সারা জেলায় আমাদের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা যা রয়েছে এর তুলনায় ৩৫-৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে লোডশেডিং বেড়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আশা করা যাচ্ছে বিষয়টি সমাধান হবে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, বিল সাধারণত আগের মতোই এসেছে। গরমের সময় বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় বেশি এজন্য সবাই মনে করেন বিল বেশি এসেছে। পল্লী বিদ্যুৎ থেকে জানানো হয়েছে কারও মিটারের রিডিংয়ে থেকেও বিল বেশি এলে তা কমিয়ে দেওয়া হবে।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল-লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

মৌলভীবাজারে এক সপ্তাহ ধরে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয় হচ্ছে। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগও উঠেছে।

গ্রাহকদের অভিযোগ, জুন ও জুলাই মাসে সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ বিল এসেছে।

বিভিন্ন কলকারখানা ব্যবসায়ীরা জানান, দ্রুত সময়ে লোডশেডিং কমিয়ে না আনলে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ব্যাহত হবে। হঠাৎ একসপ্তাহ ধরে তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং অন্যদিকে অতিরিক্ত বিল। সবমিলিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলছে, সারা জেলায় আমাদের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা যা রয়েছে এর তুলনায় ৩৫-৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে লোডশেডিং বেড়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আশা করা যাচ্ছে বিষয়টি সমাধান হবে।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, বিল সাধারণত আগের মতোই এসেছে। গরমের সময় বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় বেশি এজন্য সবাই মনে করেন বিল বেশি এসেছে। পল্লী বিদ্যুৎ থেকে জানানো হয়েছে কারও মিটারের রিডিংয়ে থেকেও বিল বেশি এলে তা কমিয়ে দেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জানান, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়া হয়। অনেকেই অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ অফিসে নিয়ে গেলে কোনো সমাধান হয় না।

ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতি মাসে বিল আসে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে জুলাই মাসে বিল এসেছে ৫ হাজার টাকা, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। একদিকে বিল বেশি এসেছে অন্যদিকে অতিরিক্ত লোডশেডিং। সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক মুসা আহমেদ বলেন, দিনরাত মিলে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। একদিকে গরম পড়েছে আর লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

তিনি আরও বলেন, আমার নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। জুন ও জুলাই মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকার বেশি এসেছে।

সেলিম আহমেদ নামে এক কারখানা ব্যবসায়ী জানান, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে এক ঘণ্টা লোডসেডিং। শ্রমিকরা কাজে আসছেন তাদের দিন শেষে মজুরি দিতে হয়। তবে আমাদের কাজ হচ্ছে না। প্রতিদিন অনেক টাকা লোকসান হচ্ছে। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ঠিক তবে আমরা ব্যবসায়ীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বেড়ে গেছে এজন্য লোডশেডিং হচ্ছে। আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। সোমবার বিকেল ৩টায় আমাদের চাহিদা হলো ৯৩ মেগাওয়াট কিন্তু আমরা পাচ্ছি ৬৬ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় ৩৫-৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ কম পাওয়ায় লোডশেডিং হচ্ছে। আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে এই সমস্যা সমাধান হবে।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে বিল বেশি আসেনি। গ্রাহক যা ব্যবহার করেছেন তাই বিল এসেছে। আমরা বলেছি-মিটারের রিডিং অনুযায়ী বিল বেশি হলে বিষয়টি জানালে সমাধান করে দেওয়া হচ্ছে। মূলত গরমের সময় বিদ্যুৎয়ের ব্যবহার বেশি হচ্ছে।

মাহিদুল ইসলাম/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow