‘অধিনায়ক ছাড়া আর কারও মধ্যে সেই দায়িত্ববোধ দেখা যায়নি’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর দলের ব্যাটিং, নেতৃত্ব, দল নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হেড কোচ ফিল সিমন্স। তার মতে, সিরিজে সবচেয়ে বড় হতাশার নাম ব্যাটিং, আর সেই ব্যর্থতায় বোলারদের জন্য লড়াইয়ের মতো পুঁজি তৈরি করতে পারেনি দল। সিরিজ শেষে সিমন্স বলেন, ‘সাম্প্রতিক কয়েকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় এটি হতাশাজনক একটি সিরিজ। যদিও দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে মাত্র ৭ রানে হারায় বাংলাদেশ, তবু প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচে ব্যাটিং পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, আমরা গত কয়েকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে যেভাবে খেলেছি, সেই তুলনায় এটি আমাদের জন্য হতাশাজনক একটি সিরিজ। আগের ম্যাচে আমরা হেরেছি ঠিকই; কিন্তু তারপরও মাঠে আমাদের মানসিকতা এবং রান তাড়ার সময় যেভাবে খেলেছি, তাতে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। এখানে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে ১৯০ রান তাড়া করা সবসময়ই কঠিন। ৭ রানে হারাটা এক বিষয়; কিন্তু প্রথম ম্যাচ এবং আজকের ম্যাচে বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে আমরা আমাদের বোলারদের জন্য

‘অধিনায়ক ছাড়া আর কারও মধ্যে সেই দায়িত্ববোধ দেখা যায়নি’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর দলের ব্যাটিং, নেতৃত্ব, দল নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হেড কোচ ফিল সিমন্স। তার মতে, সিরিজে সবচেয়ে বড় হতাশার নাম ব্যাটিং, আর সেই ব্যর্থতায় বোলারদের জন্য লড়াইয়ের মতো পুঁজি তৈরি করতে পারেনি দল।

সিরিজ শেষে সিমন্স বলেন, ‘সাম্প্রতিক কয়েকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় এটি হতাশাজনক একটি সিরিজ। যদিও দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে মাত্র ৭ রানে হারায় বাংলাদেশ, তবু প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচে ব্যাটিং পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, আমরা গত কয়েকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে যেভাবে খেলেছি, সেই তুলনায় এটি আমাদের জন্য হতাশাজনক একটি সিরিজ। আগের ম্যাচে আমরা হেরেছি ঠিকই; কিন্তু তারপরও মাঠে আমাদের মানসিকতা এবং রান তাড়ার সময় যেভাবে খেলেছি, তাতে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। এখানে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে ১৯০ রান তাড়া করা সবসময়ই কঠিন। ৭ রানে হারাটা এক বিষয়; কিন্তু প্রথম ম্যাচ এবং আজকের ম্যাচে বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে আমরা আমাদের বোলারদের জন্য কাজ করার মতো কিছুই রেখে যেতে পারিনি। সেই দিক থেকে এটি অবশ্যই হতাশার।’

বাংলাদেশের ইনিংসের প্রায় ৫৬ শতাংশ রানই এসেছে হৃদয়ের ব্যাট থেকে। ৫১ বলে ৬১ রান করেন বাংলাদেশের এই ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। যেখানে বাংলাদেশের মূল রানই ১০৯! ব্যাটারদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও কোচ জানিয়েছেন, দলের বার্তা ছিল শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা। তবে দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছিল।

তার অভিযোগ, তৃতীয় ম্যাচে অধিনায়ক ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি। সিমন্স বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের বার্তা শুধু এই সিরিজকে ঘিরে ছিল না; বরং আমরা কিভাবে ক্রিকেট খেলতে চাই, সেটাই ছিল মূল বিষয়। হ্যাঁ, আমরা দ্রুত রান করতে চাই এবং ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে চাই। কিন্তু একই সঙ্গে ম্যাচের পরিস্থিতিও বুঝে খেলতে চাই। আজ যখন ২ রানে কোনো উইকেট না পড়ার বদলে আমরা ২ রানে ২ উইকেট হারিয়েছি, সেটা ছিল হতাশাজনক। তামিম যেভাবে আউট হয়েছে, সেভাবে আউট হওয়া কঠিন। কিন্তু এরপর আমরা প্রায় সবকিছুই প্রতিপক্ষকে দিয়ে দিয়েছি। আমরা সবসময় একটি বিষয় নিয়ে কথা বলেছি- মাঝে নেমে দায়িত্ব নেওয়া। কিন্তু আজ অধিনায়ক ছাড়া আর কারও মধ্যে সেই দায়িত্ববোধ দেখা যায়নি।’

তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানাকে একসঙ্গে না খেলানো নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ। তিনি বলেন, তাসকিন ও মোস্তাফিজের সামর্থ্য সম্পর্কে দল জানে। তবে নাহিদ এখনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন। পাশাপাশি ব্যাট করতে পারেন- এমন পেসার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে দলের। সে কারণেই সাকলাইন ও সাইফউদ্দিনের মতো ক্রিকেটারদের নিয়মিত সুযোগ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

কোচের ভাষায়, ‘আমরা প্রতিটি সিরিজ জিততে চাই। কিন্তু একই সঙ্গে ২০২৭ এশিয়া কাপ ও ২০২৮ সালের লক্ষ্য সামনে রেখে দলও গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে যদি তাসকিন বা মুস্তাফিজ না থাকে, তাহলে এখন থেকেই বিকল্প প্রস্তুত রাখতে হবে।’

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow