অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা প্রশাসনকে ফেরত দিয়ে নজির গড়লেন হল ভিপি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল ছাত্রসংসদ আয়োজিত ‘বৈশাখি উৎসব-১৪৩৩’ শেষে বেঁচে যাওয়া টাকা হল প্রশাসনের কাছে ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ। বুধবার (২২ এপ্রিল) হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. নাঈম ইসলাম উৎসবের আয়-ব্যয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব প্রকাশ করেন। এরপরই আলোচনায় আসে বিষয়টি। উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভিপি মো. নাঈম ইসলাম বলেন, আমি ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী। এই সংগঠন সবসময় আমাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে এবং সে লক্ষ্যে নিয়মিত ট্রেইন-আপ করে। একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক ছাত্রসংগঠন হিসেবে আমরা আমাদের প্রতিটি কাজে সততা, দায়িত্বশীলতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, তাই ‌‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’ আয়োজনেও আমরা আয় ও ব্যয়ের প্রতিটি হিসাব আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করি। এমনকি বস্তা ফেরত দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও যথাযথভাবে প্রভোস্ট স্যারের কাছে হস্তান্তর করেছি। এই টাকা ফেরত না দিয়ে অন্য কোনো খাতেও তো ব্যবহার করতে পারতেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ভিপি বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আবার হল প্রাধ

অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা প্রশাসনকে ফেরত দিয়ে নজির গড়লেন হল ভিপি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল ছাত্রসংসদ আয়োজিত ‘বৈশাখি উৎসব-১৪৩৩’ শেষে বেঁচে যাওয়া টাকা হল প্রশাসনের কাছে ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. নাঈম ইসলাম উৎসবের আয়-ব্যয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব প্রকাশ করেন। এরপরই আলোচনায় আসে বিষয়টি।

উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভিপি মো. নাঈম ইসলাম বলেন, আমি ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী। এই সংগঠন সবসময় আমাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে এবং সে লক্ষ্যে নিয়মিত ট্রেইন-আপ করে। একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক ছাত্রসংগঠন হিসেবে আমরা আমাদের প্রতিটি কাজে সততা, দায়িত্বশীলতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি।

তিনি আরও বলেন, তাই ‌‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’ আয়োজনেও আমরা আয় ও ব্যয়ের প্রতিটি হিসাব আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করি। এমনকি বস্তা ফেরত দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও যথাযথভাবে প্রভোস্ট স্যারের কাছে হস্তান্তর করেছি।

এই টাকা ফেরত না দিয়ে অন্য কোনো খাতেও তো ব্যবহার করতে পারতেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ভিপি বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আবার হল প্রাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে অন্য কাজ করার জন্য টাকা নিয়ে কাজ করবো এবং টাকা অতিরিক্ত হলে আবারও ফেরত দিবো ইনশাল্লাহর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুনর রশিদ বলেন, হ্যাঁ, বিষয় সত্য। হল প্রশাসন থেকে ১২ হাজার এবং রাকসু থেকে ৫ হাজার টাকা তাদের দেওয়া হয়েছিল বৈশাখী উৎসবের জন্য। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত ৫ হাজার ৭৪২ টাকা তারা আমার কাছে ফিরিয়ে দেয়। এই অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমরা অন্য কোনো খাতে ব্যয় করবো।

মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow