অপরাধবিষয়ক টিভি অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করল ইরাক
অভিযুক্তদের অধিকার সুরক্ষার স্বার্থে অপরাধবিষয়ক কিছু টেলিভিশন অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করেছে ইরাক। দেশটির কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মিডিয়া কমিশন (সিএমসি) জানিয়েছে, কোনো অপরাধের বিস্তারিত বর্ণনা, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের দৃশ্য প্রচার বা আদালতের রায়ের আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মতে, এ ধরনের অনুষ্ঠান সংবিধানের নীতির পরিপন্থি। সংবিধানে বলা হয়েছে, ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজন ব্যক্তি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন। সিএমসি আরও বলেছে, অপরাধ সংঘটনের কৌশল বা তদন্তের বিস্তারিত টেলিভিশনে দেখানো হলে তা অপরাধপ্রবণ ব্যক্তি ও কিশোরদের জন্য ‘বিনামূল্যের শিক্ষা’ হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া সহিংস দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি এবং ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগকে অযথা প্রচার করা শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং সমাজে ভয় ও অস্বস্তি বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অপরাধের ঘটনা পুনর্নির্মাণ বা নাট্যরূপে উপস্থাপনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইরাক।
অভিযুক্তদের অধিকার সুরক্ষার স্বার্থে অপরাধবিষয়ক কিছু টেলিভিশন অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করেছে ইরাক।
দেশটির কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মিডিয়া কমিশন (সিএমসি) জানিয়েছে, কোনো অপরাধের বিস্তারিত বর্ণনা, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের দৃশ্য প্রচার বা আদালতের রায়ের আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মতে, এ ধরনের অনুষ্ঠান সংবিধানের নীতির পরিপন্থি। সংবিধানে বলা হয়েছে, ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজন ব্যক্তি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
সিএমসি আরও বলেছে, অপরাধ সংঘটনের কৌশল বা তদন্তের বিস্তারিত টেলিভিশনে দেখানো হলে তা অপরাধপ্রবণ ব্যক্তি ও কিশোরদের জন্য ‘বিনামূল্যের শিক্ষা’ হয়ে উঠতে পারে।
এ ছাড়া সহিংস দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি এবং ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগকে অযথা প্রচার করা শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং সমাজে ভয় ও অস্বস্তি বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অপরাধের ঘটনা পুনর্নির্মাণ বা নাট্যরূপে উপস্থাপনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইরাক।
What's Your Reaction?