অভিনয়ের জন্য যা করতে দ্বিধা করেননি দীপিকা

সঞ্জয় লীলা বনশালির পরিচালনায় নির্মিত ‘রাম লীলা’ সিনেমায় দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনয় আজও দর্শকদের কাছে প্রশংসিত। তবে এই চরিত্রে নিজেকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরতে যে কঠিন প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে, সে গল্প এতদিন অনেকেরই অজানা ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী জয়তী ভাটিয়া। জয়তী জানান, ‘রাম লীলা’ সিনেমার প্রস্তুতি পর্বে বনশালির টিমের পক্ষ থেকে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। সেই সময় দীপিকার জড়তা কাটিয়ে চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করতে একটি ভিন্নধর্মী অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। জয়তীর ভাষ্য, বনশালির অফিসের একটি বারান্দার নিচে একজন খাবার বিক্রেতা বসতেন। তিনি দীপিকাকে ওই বারান্দায় দাঁড়িয়ে জোরে জোরে গালিগালাজ করতে বলেন, যেন নিচে থাকা কাউকে উদ্দেশ্য করেই কথাগুলো বলা হচ্ছে। এ বিষয়ে জয়তী বলেন, ‘আমি ওকে বলেছিলাম, আজ তোমার কাজ হলো বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রাণ খুলে গালিগালাজ করা। নিচে কে আছে, সেটা ভাববে না। এমনভাবে চিৎকার করবে, যেন সত্যিই কাউকে উদ্দেশ্য করে বলছ।’ আরও পড়ুন অভিনয় ছেড়ে চাষাবাদ করতে চেয়েছিলেন এই তারকা, কারণ ক

অভিনয়ের জন্য যা করতে দ্বিধা করেননি দীপিকা

সঞ্জয় লীলা বনশালির পরিচালনায় নির্মিত ‘রাম লীলা’ সিনেমায় দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনয় আজও দর্শকদের কাছে প্রশংসিত। তবে এই চরিত্রে নিজেকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরতে যে কঠিন প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে, সে গল্প এতদিন অনেকেরই অজানা ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী জয়তী ভাটিয়া।

জয়তী জানান, ‘রাম লীলা’ সিনেমার প্রস্তুতি পর্বে বনশালির টিমের পক্ষ থেকে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। সেই সময় দীপিকার জড়তা কাটিয়ে চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করতে একটি ভিন্নধর্মী অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি।

জয়তীর ভাষ্য, বনশালির অফিসের একটি বারান্দার নিচে একজন খাবার বিক্রেতা বসতেন। তিনি দীপিকাকে ওই বারান্দায় দাঁড়িয়ে জোরে জোরে গালিগালাজ করতে বলেন, যেন নিচে থাকা কাউকে উদ্দেশ্য করেই কথাগুলো বলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জয়তী বলেন, ‘আমি ওকে বলেছিলাম, আজ তোমার কাজ হলো বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রাণ খুলে গালিগালাজ করা। নিচে কে আছে, সেটা ভাববে না। এমনভাবে চিৎকার করবে, যেন সত্যিই কাউকে উদ্দেশ্য করে বলছ।’

তবে দীপিকার প্রতিক্রিয়া তাকে বিস্মিত করেছিল। জয়তীর দাবি, চিত্রনাট্যে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থামার কথা থাকলেও দীপিকা চরিত্রের মধ্যে এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে নিজের মতো করে আরও নানা সংলাপ ও গালিগালাজ বলতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, ‘ও বারান্দার দরজা খুলেই শুরু করে দিল। আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, সেখানেও থামেনি। এমন কিছু গালিগালাজ বলল, যা আমি আগে কখনো শুনিনি। আমি সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।’

জয়তীর মতে, তখন দীপিকা এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত তারকা। তারপরও প্রকাশ্য জায়গায় দাঁড়িয়ে এমন একটি অনুশীলন করতে তার মধ্যে কোনো দ্বিধা বা সংকোচ ছিল না। কে দেখছে বা কে কী ভাবছে, তা না ভেবে চরিত্রকে বাস্তব করে তুলতেই মনোযোগী ছিলেন তিনি।

তার ভাষায়, একজন অভিনেত্রীর কাজের প্রতি এমন নিবেদন খুব কমই দেখা যায়। আর সেই নিষ্ঠার প্রতিফলনই দর্শক পেয়েছেন ‘রাম লীলা’ সিনেমায় দীপিকা পাড়ুকোনের অনবদ্য অভিনয়ে।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow