অসাধারণ প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করল প্রিয়শপ

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ বি-টু-বি মার্কেটপ্লেস ও স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ তাদের ফাউন্ডেশন ডে উদযাপন করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি দেশের রিটেইল খাতে তাদের দীর্ঘ পথচলা, প্রবৃদ্ধি ও প্রভাবের কথা তুলে ধরে। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা প্রিয়শপ প্রথমে কনজিউমার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করলেও পরে একটি পূর্ণাঙ্গ বি-টু-বি স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের লাখো ক্ষুদ্র ও মাঝারি রিটেইলারদের ক্ষমতায়ন করা। প্রিয়শপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আশিকুল আলম খাঁন বলেন, “দেশের কোটি কোটি রিটেইলার প্রতিদিন মানুষের পাশে থাকলেও তারা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল, যেমন সহজ সাপ্লাই চেইন, দ্রুত ডেলিভারি এবং ক্রেডিট সুবিধা। এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই আমরা প্রিয়শপ তৈরি করেছি যাতে ব্র্যান্ড, প্রযুক্তি ও ফাইন্যান্সকে একসাথে এনে রিটেইলারদের জন্য একটি সহজ ও শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা যায়।” বর্তমানে প্রিয়শপ দেশের ১৬টি জেলায় ৪০টি হাব ও ১৪২৮+ ডিস্ট্রিবিউশন রুটের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ২ লাখ রিটেইলারদেরকে সেবা দ

অসাধারণ প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করল প্রিয়শপ

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ বি-টু-বি মার্কেটপ্লেস ও স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ তাদের ফাউন্ডেশন ডে উদযাপন করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি দেশের রিটেইল খাতে তাদের দীর্ঘ পথচলা, প্রবৃদ্ধি ও প্রভাবের কথা তুলে ধরে।

২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা প্রিয়শপ প্রথমে কনজিউমার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করলেও পরে একটি পূর্ণাঙ্গ বি-টু-বি স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের লাখো ক্ষুদ্র ও মাঝারি রিটেইলারদের ক্ষমতায়ন করা।

প্রিয়শপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আশিকুল আলম খাঁন বলেন, “দেশের কোটি কোটি রিটেইলার প্রতিদিন মানুষের পাশে থাকলেও তারা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল, যেমন সহজ সাপ্লাই চেইন, দ্রুত ডেলিভারি এবং ক্রেডিট সুবিধা। এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই আমরা প্রিয়শপ তৈরি করেছি যাতে ব্র্যান্ড, প্রযুক্তি ও ফাইন্যান্সকে একসাথে এনে রিটেইলারদের জন্য একটি সহজ ও শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা যায়।”

বর্তমানে প্রিয়শপ দেশের ১৬টি জেলায় ৪০টি হাব ও ১৪২৮+ ডিস্ট্রিবিউশন রুটের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ২ লাখ রিটেইলারদেরকে সেবা দিচ্ছে এবং ২৮০+ ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করছে। ১,৬০০+ কর্মী নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন হাজারো দোকানে পণ্য ও সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।

প্রিয়শপের অন্যতম বড় সাফল্য হলো তাদের রিটেইলারদের জন্য ক্রেডিট সুবিধা। ব্যাংক পার্টনারদের সাথে কাজ করে ইতোমধ্যে ১০,০০০+ রিটেইলার ক্রেডিট কার্ড ও ঋণ সুবিধা পেয়েছেন, যা তাদের ব্যবসা বাড়াতে নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

আর্থিক সেবার পাশাপাশি প্রিয়শপ তাদের কার্যক্রমে সাসটেইনেবিলিটি ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ যুক্ত করেছে। দক্ষ ডিস্ট্রিবিউশন, স্মার্ট অপারেশন এবং সবুজ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমাতে কাজ করছে এবং একটি স্মার্ট রিটেইল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে।

প্রভাব ও উদ্ভাবনের প্রতি এই ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতির ফলে প্রিয়শপ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। স্টার্টআপ হুইল ২০২৪, দ্য এশিয়া অ্যাক্সিলারেটর, স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ, এচেলন এশিয়া সামিট ২০২৩ এবং টেক ইন এশিয়া এর মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে প্রিয়শপ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। এই ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি আইসিটি অ্যাওয়ার্ড নেপাল ২০২৫-এ চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করেছে।

এই স্বীকৃতিগুলো প্রিয়শপের যাত্রাকে তুলে ধরে যেখানে প্রযুক্তি, ডিস্ট্রিবিউশন ও ফাইন্যান্সকে একত্র করে দেশের রিটেইল খাতকে আরও সংগঠিত, শক্তিশালী করে তোলা হচ্ছে।

প্রিয়শপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিএমও দীপ্তি মন্ডল বলেন, “আমাদের যাত্রা সর্বদা চলমান। প্রতিটি কর্মী, পার্টনার ও রিটেইলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সামনে আমরা আরও বেশি রিটেইলারদের কে ক্ষমতায়িত করতে চাই।”

ফাউন্ডেশন ডে উদযাপন উপলক্ষে প্রিয়শপের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডার ও কর্মীরা অংশ নেন। সেখানে ২০২৫ সালের অর্জন তুলে ধরা হয় এবং ২০২৬ সালের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয় যার লক্ষ্য দেশের প্রতিটি রিটেইলারকে আরও শক্তিশালী করা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow