অস্ট্রেলিয়া সিরিজ কঠিন হবে, তবু যে কারণে আশাবাদী আশরাফুল

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর আপাতত বিশ্রামে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তবে ঈদের পরই আবার মাঠে ফিরতে হবে টাইগারদের। সাদা বলের সিরিজ খেলতে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া দল। এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুই দল। নিজেদের মাঠে খেলা বলেই আশাবাদী টাইগারদের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। আসন্ন সিরিজকে ঘিরে আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে (সিরিজ) অবশ্যই কঠিন হবে। আমরা ২০০৫ সালে কার্ডিফে (ম্যাচ) জিতেছিলাম, এরপরে আসলে আর কখনোই জেতা হয়নি। যদিও অত বেশি ম্যাচ খেলিনি। অল্প ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু আর জেতা হয়নি। আমি যখন অধিনায়ক ছিলাম, একবার কাছাকাছি গিয়েছিলাম।’ স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০০৫ সালে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে অজিদের হারানোর স্মৃতি এখনও মনে পড়ে। ২০০৮ সালে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলাম, তাদের ১৯৮ রানে অলআউট করেছিলাম। ওই ম্যাচটা তামিম অর্ধশতক করেছিল, সাকিবও ভালো করে, কিন্তু জিততে পারিনি। ওই একটা ম্যাচই মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি গিয়েছিল

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ কঠিন হবে, তবু যে কারণে আশাবাদী আশরাফুল

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর আপাতত বিশ্রামে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তবে ঈদের পরই আবার মাঠে ফিরতে হবে টাইগারদের। সাদা বলের সিরিজ খেলতে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া দল। এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুই দল। নিজেদের মাঠে খেলা বলেই আশাবাদী টাইগারদের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল।

আসন্ন সিরিজকে ঘিরে আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে (সিরিজ) অবশ্যই কঠিন হবে। আমরা ২০০৫ সালে কার্ডিফে (ম্যাচ) জিতেছিলাম, এরপরে আসলে আর কখনোই জেতা হয়নি। যদিও অত বেশি ম্যাচ খেলিনি। অল্প ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু আর জেতা হয়নি। আমি যখন অধিনায়ক ছিলাম, একবার কাছাকাছি গিয়েছিলাম।’

স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০০৫ সালে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে অজিদের হারানোর স্মৃতি এখনও মনে পড়ে। ২০০৮ সালে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলাম, তাদের ১৯৮ রানে অলআউট করেছিলাম। ওই ম্যাচটা তামিম অর্ধশতক করেছিল, সাকিবও ভালো করে, কিন্তু জিততে পারিনি। ওই একটা ম্যাচই মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি গিয়েছিলাম, যেটা আমাদের জেতার মতো ছিল।’

২০২১ সালের আগস্টে শেষবার বাংলাদেশ সফরে এসে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বড় ব্যবধানে (৪-১) হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রায় পাঁচ বছর পর আবারও বাংলাদেশে আসছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এবার নিজেদের মাঠে প্রতিপক্ষকে হারানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন আশরাফুল।

তিনি বলেন, ‘এইবারও অবশ্যই আশা থাকবে, কারণ তারা আমাদের মাঠে খেলবে। যদিও তারা আসার আগে পাকিস্তানে তিনটি ম্যাচ খেলে ভালো প্রস্তুতি নেবে।’

নিজেদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সাবেক এই ব্যাটার। আশরাফুলের ভাষায়, ‘আমরা যেভাবে গত তিনটা সিরিজ খেলছি, আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের খেলোয়াড়রা যদি তাদের সেরা ক্রিকেট খেলে, তিনটা বিভাগই ভালো করে, অস্ট্রেলিয়ার সাথে ম্যাচ ধরে ধরে চিন্তা করে আমরা সিরিজ জিততে পারব ইনশাআল্লাহ।’

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ৯ জুন প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ।

একই মাঠে সিরিজের বাকি দুটি ওয়ানডে ম্যাচ যথাক্রমে ১১ ও ১৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুই দল চট্টগ্রামে পাড়ি জমাবে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের এই ম্যাচগুলো দুপুর ২টায় শুরু হবে।

এসকেডি/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow