অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোর মারা গেছে
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে হাঙরের কামড়ে আহত ১২ বছর বয়সী এক কিশোর মারা গেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তার পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহত শিশুটির নাম নিকো অ্যান্টিক। তার বাবা-মা জানান, গত সপ্তাহে বন্ধুদের সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার পর একটি বড় হাঙরের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়। এক বিবৃতিতে নিকোর বাবা-মা লোরেনা ও হুয়ান অ্যান্টিক বলেন, আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের ছেলে নিকো আর নেই। হামলার সময় নিকো ও তার বন্ধুরা সিডনির পূর্বাঞ্চলীয় ভক্লুজ এলাকায় প্রায় ছয় মিটার (২০ ফুট) উঁচু একটি পাথর থেকে পানিতে লাফ দিচ্ছিল। পুলিশ জানায়, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির ফলে নোংরা পানি হারবারে নেমে আসায় পানির স্বচ্ছতা কমে গিয়েছিল। আহত অবস্থায় নিকোর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাকে একটি নৌকায় তুলে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার বাবা-মা বলেন, নিকো ছিল হাসিখুশি, বন্ধুবৎসল ও খেলাধুলাপ্রিয় একটি ছেলে, যার মন ছিল অত্যন্ত দয়ালু ও উদার। সে সবসময় প্রাণবন্ত ছিল, আমরা তাকে সেইভাবেই স্মরণ করবো। এটি সিডনিতে সাম্প্রতিক সময়ের তৃতীয় হাঙর-সম্পর্কিত মৃত্যু। গত সেপ্টেম্বর মাসে সিডনির উত্তরাঞ্চলের একটি জনপ্রিয় সৈকতে
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে হাঙরের কামড়ে আহত ১২ বছর বয়সী এক কিশোর মারা গেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তার পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নিহত শিশুটির নাম নিকো অ্যান্টিক। তার বাবা-মা জানান, গত সপ্তাহে বন্ধুদের সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার পর একটি বড় হাঙরের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়।
এক বিবৃতিতে নিকোর বাবা-মা লোরেনা ও হুয়ান অ্যান্টিক বলেন, আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের ছেলে নিকো আর নেই।
হামলার সময় নিকো ও তার বন্ধুরা সিডনির পূর্বাঞ্চলীয় ভক্লুজ এলাকায় প্রায় ছয় মিটার (২০ ফুট) উঁচু একটি পাথর থেকে পানিতে লাফ দিচ্ছিল।
পুলিশ জানায়, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির ফলে নোংরা পানি হারবারে নেমে আসায় পানির স্বচ্ছতা কমে গিয়েছিল।
আহত অবস্থায় নিকোর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাকে একটি নৌকায় তুলে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তার বাবা-মা বলেন, নিকো ছিল হাসিখুশি, বন্ধুবৎসল ও খেলাধুলাপ্রিয় একটি ছেলে, যার মন ছিল অত্যন্ত দয়ালু ও উদার। সে সবসময় প্রাণবন্ত ছিল, আমরা তাকে সেইভাবেই স্মরণ করবো।
এটি সিডনিতে সাম্প্রতিক সময়ের তৃতীয় হাঙর-সম্পর্কিত মৃত্যু।
গত সেপ্টেম্বর মাসে সিডনির উত্তরাঞ্চলের একটি জনপ্রিয় সৈকতে গ্রেট হোয়াইট হাঙরের আক্রমণে সার্ফার মারকারি সিলাকিস মারা যান।
এর দুই মাস পর, সিডনির উত্তরে একটি দুর্গম সৈকতে সাঁতার কাটার সময় একটি বুল হাঙরের আক্রমণে এক নারী মারা যান।
অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সমুদ্রে মানুষের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং পানির তাপমাত্রা বাড়ার কারণে হাঙরের চলাচলের ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে, যা হামলার সংখ্যা বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম
What's Your Reaction?