অ্যান্টার্কটিকার বরফ আর প্রবল বাতাসে আর্জেন্টিনার এক পাগল ভক্তের কাণ্ড

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার ওঠার আনন্দ পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন স্থানগুলোতেও। অ্যান্টার্কটিকায় অবস্থিত আর্জেন্টিনার বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র এস্পেরান্সা ঘাঁটি থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানকার বাসিন্দারা একসঙ্গে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় দেখছেন। সেমিফাইনালের শেষ বাঁশি বাজতেই আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। এমনকি এক পাগল ভক্ত অ্যান্টার্কটিকার বরফ আর প্রবল ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে বাইরে বের হয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে। বাতাসের কারণে তিনি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলেন না। পরে অল্প সময় থেকে আবারও ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন। এত কষ্ট করেও উদযাপন করতে ভুল করেননি দলের সাফল্য। আরেকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন, এস্পেরান্সা ঘাঁটির প্রাদেশিক বিদ্যালয় নম্বর-৩৮’র শিক্ষক গুস্তাভো অলিভেরা। ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার পতাকা হাতে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দলের বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা উদযাপন করছেন। | Así festejo Argentina la victoria ante Inglaterra en la Antártida. pic.twitter.com/FQsvISs4sF — Mundo en Conflicto (@MundoEConflicto) July

অ্যান্টার্কটিকার বরফ আর প্রবল বাতাসে আর্জেন্টিনার এক পাগল ভক্তের কাণ্ড

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার ওঠার আনন্দ পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন স্থানগুলোতেও। অ্যান্টার্কটিকায় অবস্থিত আর্জেন্টিনার বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র এস্পেরান্সা ঘাঁটি থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানকার বাসিন্দারা একসঙ্গে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় দেখছেন। সেমিফাইনালের শেষ বাঁশি বাজতেই আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা।

এমনকি এক পাগল ভক্ত অ্যান্টার্কটিকার বরফ আর প্রবল ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে বাইরে বের হয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে। বাতাসের কারণে তিনি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলেন না। পরে অল্প সময় থেকে আবারও ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন। এত কষ্ট করেও উদযাপন করতে ভুল করেননি দলের সাফল্য।

আরেকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন, এস্পেরান্সা ঘাঁটির প্রাদেশিক বিদ্যালয় নম্বর-৩৮’র শিক্ষক গুস্তাভো অলিভেরা। ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার পতাকা হাতে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দলের বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা উদযাপন করছেন।

পোস্টটি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রমাণ মিলেছে, ফুটবলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বিশ্বের সবচেয়ে শীতল মহাদেশেও পৌঁছে গেছে।

১৯৫২ সাল থেকে আর্জেন্টিনার তত্ত্বাবধানে থাকা এস্পেরান্সা ঘাঁটি অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপে অবস্থিত। এটি মহাদেশটির অল্প কয়েকটি গবেষণা কেন্দ্রের একটি, যেখানে সারা বছর পরিবারসহ কিছু মানুষ বসবাস করে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারের পাশাপাশি সেখানে রয়েছে একটি বিদ্যালয়, হাসপাতাল, উপাসনালয়, বেতারকেন্দ্র ও ডাকঘর। সামরিক সদস্য, গবেষক, বেসামরিক পেশাজীবী এবং তাদের পরিবার নিয়ে সেখানে একটি ছোট স্থায়ী জনপদ গড়ে উঠেছে।

অ্যান্টার্কটিকার ইতিহাসেও এই ঘাঁটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ১৯৭৮ সালে এখানেই জন্মগ্রহণ করেন এমিলিও মার্কোস পালমা, যিনি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে জন্ম নেওয়া প্রথম মানুষ হিসেবে স্বীকৃত। পরিবার ও শিশুদের স্থায়ী উপস্থিতির কারণে এস্পেরান্সা ঘাঁটি মহাদেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অন্যান্য গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে ব্যতিক্রম।

আরএএইচইউএল/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow