আইআইইউএম ও আইএনটিআইর সঙ্গে শাবিপ্রবির সমঝোতা স্বাক্ষর
শিক্ষা ও গবেষণায় উদ্ভাবন, উৎকর্ষ এবং বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় দুটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) এবং আইএনটিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমবার (৩০ মার্চ) মালয়েশিয়ার আইআইইউএম গোম্বাক ক্যাম্পাসের রেক্টর কার্যালয়ে প্রথম চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীর উপস্থিতিতে এ চুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আইএনটিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে শাবিপ্রবির দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা, অ্যাকাডেমিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আদান-প্রদানের পথ প্রশস্ত হবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান,
শিক্ষা ও গবেষণায় উদ্ভাবন, উৎকর্ষ এবং বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় দুটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) এবং আইএনটিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সোমবার (৩০ মার্চ) মালয়েশিয়ার আইআইইউএম গোম্বাক ক্যাম্পাসের রেক্টর কার্যালয়ে প্রথম চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এ সময় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীর উপস্থিতিতে এ চুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আইএনটিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে শাবিপ্রবির দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা, অ্যাকাডেমিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আদান-প্রদানের পথ প্রশস্ত হবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এই বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা দুই দেশের শিক্ষাখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?